1. labpoint2017@gmail.com : avan26 :
  2. bmlts.2025@gmail.com : Bangladesh Society : Bangladesh Society
  3. mehendiganjtimes2020@gmail.com : Mehendiganj Times : Mehendiganj Times
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
হিজলায় মা ইলিশ রক্ষায় নৌ পুলিশের অভিযান: আটক ৮৭ জেলে, মামলা ৬৪টি দেশটা আমাদের সবার, সবাই মিলে একসঙ্গে বসবাস করব—প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি মেহেন্দিগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পূজা নিশ্চিতে মাঠে পুলিশ, পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ওসি। জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শুক্রবার ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না মেহেন্দিগঞ্জে মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান: ২২ জন আটক, ১৮ জনের কারাদণ্ড মেহেন্দিগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মেহেন্দিগঞ্জে লতা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ফের চুরি, ট্রান্সফরমার উধাও—স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত মেহেন্দিগঞ্জ সোনালী ব্যাংকে কৃষি ও ক্ষুদ্র ঋণে সুদ মওকুফের মহাসুযোগ, সময় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পাতারহাট বন্দরের সড়ক প্রশস্তকরণ ও খাল খননসহ ব্যবসায়ীদের নানা দাবি মেহেন্দিগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের মাঝে ট্যাব বিতরণ।
সংবাদ শিরনাম :
হিজলায় মা ইলিশ রক্ষায় নৌ পুলিশের অভিযান: আটক ৮৭ জেলে, মামলা ৬৪টি দেশটা আমাদের সবার, সবাই মিলে একসঙ্গে বসবাস করব—প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি মেহেন্দিগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পূজা নিশ্চিতে মাঠে পুলিশ, পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ওসি। জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শুক্রবার ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না মেহেন্দিগঞ্জে মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান: ২২ জন আটক, ১৮ জনের কারাদণ্ড মেহেন্দিগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মেহেন্দিগঞ্জে লতা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ফের চুরি, ট্রান্সফরমার উধাও—স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত মেহেন্দিগঞ্জ সোনালী ব্যাংকে কৃষি ও ক্ষুদ্র ঋণে সুদ মওকুফের মহাসুযোগ, সময় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পাতারহাট বন্দরের সড়ক প্রশস্তকরণ ও খাল খননসহ ব্যবসায়ীদের নানা দাবি মেহেন্দিগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের মাঝে ট্যাব বিতরণ।

বি এম কলেজের শিক্ষকের প্রতিহিংসার শিকার শিক্ষার্থী।

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ৪৫৯ ০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক //

বরিশাল বিএম কলেজের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন একই বিভাগের এক মেধাবী শিক্ষার্থী। ২০১৮-১৯ শিক্ষা বর্ষের মার্স্টাস ফাইনাল পরীক্ষার মৌখিক পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিভাগীয় প্রধান ড. মো. মাহমুদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম মো. গোলাম রাব্বি অনিক। এ ঘটনায় ফলাফল সংশোধন ও সুষ্ঠু তদন্তের জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মেধাবী শিক্ষার্থী মো. গোলাম রাব্বি অনিক ২০১৪-১৫ শিক্ষা বর্ষে বিএম কলেজের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সাথে স্নাতক পাশ করেন তিনি। তাঁর সিজিপিএ ৩.৫৮। ২০১৮-১৯ শিক্ষা বর্ষে মাস্টার্স শেষ পর্বের ফাইনাল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন। সকল বিষয় সন্তোষজনক ফলাফল করলেও বিভাগীয় প্রধানের ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার জেরে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে মৌখিক পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেন।

অভিযোগে ওই শিক্ষার্থী আরও বলেন, স্নাতক ৪র্থ বর্ষের ব্যবহারিক পরীক্ষায়ও তিনি আমাকে কম নম্বর প্রদান করেন। মাস্টার্স ২০১৮-১৯ শিক্ষা বর্ষে ভর্তি হতেও তিনি আমাকে বাঁধা প্রদানসহ বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি ও ভবিষৎ নষ্ট করার হুমকি প্রদান করেন। ইতিমধ্যে যার একটি ৭ মিনিটের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

 

https://www.facebook.com/groups/NUmasters/permalink/8420683811282948/

 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর একাধিক সহপাঠি বলেন,‘ অনিক বিভিন্ন সময় সাধারন শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায় ও অধিকার বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পক্ষে প্রতিবাদ করেছেন। যার কারনে অনিকের ওপর তাঁর (বিভাগীয় প্রধান) ক্ষোভ ছিল। সেই ক্ষোভের প্রতিফলনই হলো অনিককে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে দেওয়া।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষার্থী জানান,‘ বিভাগীয় প্রধান স্যারের নির্যাতনে মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সাধারন শিক্ষার্থীরা অতিষ্ঠ। বিভাগীয় প্রধানের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তুলতে গেলে হয়রানির শিকার হতে হয়। ঘুরতে হয় দিনের পর দিন। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের সাথে দিনের পর দিন করেন বাজে ব্যবহার। কলেজ থেকে তার অপসারণ এখন সময়ের দাবি। সেই সাথে দৃষ্টান্ত মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখনই প্রয়োজন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. গোলাম রাব্বি অনিক বলেন,‘ আমি মৌখিক পরীক্ষায় সন্তোষজনকভাবে অংশ গ্রহণ করি এবং সন্তোষজনক ফলাফল প্রত্যাশী ছিলাম। বিভাগীয় প্রধান স্যার তাঁর ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার কারণে আমাকে ফেল করিয়ে দেন। আমি এ ফলাফল সংশোধন ও তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবি করছি।

এ বিষয়ে জানতে মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. মাহমুদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর গোলাম কিবরিয়া জানান, বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। ফলাফল সংশোধনের চেষ্টা চলছে এবং এ ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।     Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.  
Theme Customized By BreakingNews