ঈদুল আযহার পূর্বে ৮ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের সংবাদ খুব স্বাভাবিক ভাবেই অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
তাই সংবাদ পেয়ে খুব দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেন কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। ঘটনাস্থল ও ক্রাইমসিন পর্যালোচনা,ভিকটিম নুরুল্লাহ মোমেনের দেওয়া ছিনতাইয়ের ঘটনার বিবরন,ভিকটিমের শরীরের আঘাতের ধরন, ভিকটিম যেই পথে চলাচল করেছে সে সমস্ত পয়েন্টে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক পূর্বে স্থাপিত সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশের কাছে ঘটনাটি বেশ রহস্যজনক মনে হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে কোতোয়ালি মডেল থানার একটি চৌকস টিম রাতভর ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে। নিবিঢ় জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রাত আনুমানিক ৪:৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম নুরুল্লাহ মোমেন স্বীকার করেন যে আসলে তিনি ছিনতাইকারীর কবলে পড়েননি,আর তার সাথে কোন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেনি। মূলত তিনি নিজেই তার ডান হাতের বাহুতে ব্লেড দিয়ে পোঁচ দিয়ে নিজেকে রক্তাক্ত করে ছিনতাইয়ের ঘটনা সাজিয়েছেন।
চাকুরীতে ঢোকার পূর্বেই অভিযুক্ত(কথিত ভিকটিম) তার এলাকার বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ধার করা প্রায় ১ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা তিনি চাকরিতে ঢোকার পর মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ এর অনুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটর “জি টু কনসোর্টিয়াম” এর মার্কেট থেকে বিভিন্ন সময় ধীরে ধীরে সরিয়ে পাওনাদারদের পাওনা পরিশোধ করেছেন।
তাৎক্ষণিক পুলিশ অভিযুক্ত (কথিত ভিকটিম) নুরুল্লাহ মোমেন, পিতা- রুহুল আমিন, মাতা- আমেনা বেগম বিউটি, সাং- মধ্য নিয়ামতি (টহরকোলা হাওলাদার বাড়ী), থানা বাকেরগঞ্জ,জিলা- বরিশাল কে সাথে নিয়ে তার বের করে দেওয়া মতে কোতোয়ালি মডেল থানাধীন বৈদ্যপাড়া রাস্তার পাশের জঙ্গল থেকে একটি Gillette Wilkinson sword ব্লেড যা দিয়ে সে তার হাতে পোঁচ দিয়ে নিজেকে রক্তাক্ত করেছে ও একটি কালো রঙের ব্যাগ উদ্ধার করেন।
Leave a Reply