1. labpoint2017@gmail.com : avan26 :
  2. bmlts.2025@gmail.com : Bangladesh Society : Bangladesh Society
  3. mehendiganjtimes2020@gmail.com : Mehendiganj Times : Mehendiganj Times
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
৭নং ভাসানচর ইউনিয়ন নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী আল আমিন খান মেঘনায় নৌ পুলিশের অভিযান: ২০ জেলে আটক, বিপুল পরিমাণ জাল জব্দ মেহেন্দিগঞ্জে পূজার চাল নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে দুই মন্দিরের প্রতিক্রিয়া ও সংবাদ সম্মেলন হিজলায় মা ইলিশ রক্ষায় নৌ পুলিশের অভিযান: আটক ৮৭ জেলে, মামলা ৬৪টি দেশটা আমাদের সবার, সবাই মিলে একসঙ্গে বসবাস করব—প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি মেহেন্দিগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পূজা নিশ্চিতে মাঠে পুলিশ, পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ওসি। জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শুক্রবার ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না মেহেন্দিগঞ্জে মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান: ২২ জন আটক, ১৮ জনের কারাদণ্ড মেহেন্দিগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
সংবাদ শিরনাম :
৭নং ভাসানচর ইউনিয়ন নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী আল আমিন খান মেঘনায় নৌ পুলিশের অভিযান: ২০ জেলে আটক, বিপুল পরিমাণ জাল জব্দ মেহেন্দিগঞ্জে পূজার চাল নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে দুই মন্দিরের প্রতিক্রিয়া ও সংবাদ সম্মেলন হিজলায় মা ইলিশ রক্ষায় নৌ পুলিশের অভিযান: আটক ৮৭ জেলে, মামলা ৬৪টি দেশটা আমাদের সবার, সবাই মিলে একসঙ্গে বসবাস করব—প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি মেহেন্দিগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পূজা নিশ্চিতে মাঠে পুলিশ, পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ওসি। জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শুক্রবার ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না মেহেন্দিগঞ্জে মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান: ২২ জন আটক, ১৮ জনের কারাদণ্ড মেহেন্দিগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বরিশাল লাহারহাট ঘাটে: প্রসাশনের নির্দেশনা অমান্য করে চলছে স্পিডবোট

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ৫৪২ ০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক::

স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে লাহারহাট ঘাটে নৌপথে অবাধে চলছে বেপরোয়া স্পিড বোট। মহামারী করোনা সংক্রমণের ঢেউ ঠেকাতে সারা দেশে দ্বিতীয় বার এর মতো কঠোর লকডাউন চলছে। লকডাউন চলার সময় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে যাত্রীবাহী সব ধরনের নৌযান। অথচ প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে লাহারহাট লঞ্চ ঘাটে নৌপথে অবাধে চলছে। এই নৌযানগুলোতে মানা হচ্ছে না কোনো স্বাস্থ্যবিধি।

ট্রলার ও স্পিডবোটে ওঠা বেশির ভাগ যাত্রীর মুখে মাস্ক নেই। আবার কিছু যাত্রীর মুখে মাস্ক দেখা গেলেও নিয়ম মেনে তা কেউ পরছেন না। ট্রলার-স্পিডবোটে সামাজিক দূরত্ব নেই, নেই লাইফ জ্যাকেটও।

লাহারহাট লঞ্চ ঘাটে থেকে ভোলার উদ্দেশ্য ট্রলারে যাত্রা করবেন শহীদুল ইসলাম কে মাস্কের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, মাস্ক দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে রাখলে গরমে দম আট কাইয়া আসে। নিশ্বাস ছাড়তে পারি না। তাই মাস্ক পরি নামে মাত্র।

বরিশাল থেকে আসা আর একভোলা গামী যাত্রী ফারুক হাওলাদার বলেন, মোর বাসা ভোলায় বরিশালের পোর্ট রোড এ ফুটপাতে চা এর দোকান আমার। লকডাউনে দোকান বসাতে দেয় না। তাই দেশের বাড়িতে যাইতাছি। দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ পারাপার হয়ে থাকেন। কিন্তু একশ্রেণির অদক্ষ স্পিড বোট চালকদের হাতে যাত্রীরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। তারা বিভিন্ন উপায়ে যাত্রীদের হয়রানি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি তারা যাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্পিড বোট বোঝাই করে যাত্রী পারাপার করেন।

বিআইডব্লিউটিএ এর ঘাটে যাত্রীদের সুবিধার্থে সিটিজেন চার্ট বা ভাড়া নির্ধারিত তথ্য বোর্ড নেই। ইচ্ছানুযায়ী ঘাটের ইজারাদার ভাড়া আদায় করে থাকেন। বরিশালের লাহারহাট লঞ্চ ঘাটে ইজারাদারদের হয়রানির শিকার হচ্ছেন যাত্রিরা। বন্দর থানার কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না সাধারণ যাত্রীরা। লাহারহাট লঞ্চ ঘাট দিয়ে প্রতিদিন বরিশাল, হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ ও ভোলায় যাতায়েত করে ৮ থেকে ১০ হাজার যাত্রি। সরকারের নিয়মে এই ঘাটে প্রবেশ মূল্য দেয়া আছে তিন টাকা। কিন্তু যাত্রিদের অভিযোগ ঘাটের ইজারাদাররা তাদের কাছ থেকে পাঁচ টাকা করে আদায় করছে। তার উপর কোনো টিকিটও দেয়া হয় না।

এক যাত্রিরা বলেন, আমার পরিবারের ৬ জন সদস্য এই ঘাট দিয়ে প্রবেশ করেছে। আর তারা আমার কাছ থেকে মোট ৩০ টাকা রেখেছে, কিন্তু আমাদের কোনো টিকিট দেয় হয়নি। ওরা বলছে সরকারের কাছ থেকে তাদের কাউন্টার দেয়নি তাই টিকিট দেয়া হচ্ছে না। কেবল যাত্রি নয় ইজারাদারদের এই হয়রানির শিকার হচ্ছে ব্যবসায়ীরাও। মালামাল পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন ইজারাদাররা।

এই হয়রানির কথা বলতে গেলে ইজারাদার জানান, সরকারি নিয়মেই তারা টাকা নিচ্ছে। যদিও টিকিটের বিষয়টি এড়িয়ে যান তারা। উত্তাল কালাবদর নদী পাড়ি দিয়ে একের পর এক স্পিডবোট বরিশাল-ভোলা রুটের যাত্রী পরিবহন করছে। বরিশাল প্রান্তে লাহারহাট ও ভোলার প্রান্তে ভেদুরিয়া থেকে স্পিডবোটগুলো যাত্রী পরিবহন করছে। ভোলাগামী যাত্রীরা বরিশাল থেকে সড়কপথে লাহারহাট গিয়ে ফেরি কিংবা লঞ্চে না উঠে দ্রুত কালাবদর নদী পাড়ি দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছার জন্য স্পিডবোটের যাত্রী হন।

যাত্রীপ্রতি ভাড়া ৩০০ টাকা। ৪/৫ জন ধারণ ক্ষমতার স্পিডবোটে যাত্রী বহন করা হয় ৯/১১ জন। ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ যাত্রী নিয়ে উত্তাল কালাবদর পাড়ি দেয়ার জন্য লক্কর-ঝক্কর স্পিডবোট চালানোর জন্য দক্ষ ড্রাইভার নেই।

এসব স্পিডবোটের চলাচলের অনুমতি নেই, বৈধ কাগজপত্র নেই। সরকারি দপ্তরের বিকল বাতিল পুরানো স্পিডবোট নিলামে ক্রয় করে জোড়াতালি দিয়ে চলছে এ রমরমা ব্যবসা। থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে বরিশাল-ভোলা নৌরুটে নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করে এ স্পিডবোটগুলো। মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনা ঘটলে তা আপস নিষ্পত্তি হয়ে যায়। এ রুটের স্পিডবোট দুর্ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি মারা গেলেও দোষী কাউকে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়নি।

বরিশাল-ভোলা রুটে নিয়মিত যাত্রী পরিবহন ছাড়াও চুক্তিভিত্তিক এসব স্পিডবোট দিনে-রাতে সমান তালে ভাড়ায় হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ, বাউফলসহ বিবিন্নস্থানে যাত্রী পরিবহন করে থাকে। দ্রুত যাতায়াতের জন্য অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসব স্পিডবোটে যাতায়াত করছে। মেঘনা, তেতুলিয়া, আড়িয়াল খাঁ ও কালাবদর নদীর উত্তাল ঢেউ ভেঙ্গে লাহারহাট থেকে ভেদুরিয়াসহ চর আলেকজান্ডার, মীর্জা কালু, বেতুয়া, ইলিশা, মজু চৌধুরীর হাট রুটের যাত্রী পরিবহন করে ইঞ্জিনচালিত বেশকিছু নৌকা। যাত্রী পরিবহনের জন্য নৌকায় শ্যালো ইঞ্জিন যুক্ত করে চলাচলকারী এসব নৌযানকে স্থানীয়ভাবে ট্রলার বা টেম্পু বলা হয়।

ভোলার মির্জাকালু থেকে লক্ষীপুরের আলেকজান্ডার পর্যন্ত বিশাল মেঘনা নদী পাড়ি দিয়ে যাত্রী পরিবহন করছে ছোট্ট লঞ্চ। এ সব লঞ্চের এ রুটে যাত্রী পরিবহনের কোনো অনুমতি নেই। রুট পারমিট ছাড়াই চরফ্যাশনের বেতুয়া থেকে মনপুরার সাকুচিয়া ও জনতা বাজারে যাত্রী পরিবহন করছে ইঞ্জিনচালিত ট্রলার। বিচ্ছিন্ন উপ-দ্বীপ মনপুরার সাথে চলাচলকারী সি-ট্রাক সিংহভাগ সময়ই থাকে বিকল। মানুষ যাতায়াত করে ট্রলারে।

একই অবস্থা দৌলতখান-আলেকজান্ডার ও ইলিশা-মজু চৌধুরীর হাট রুটের। এসব রুটে সি-ট্রাক বিকল থাকার অজুহাত তুলে প্রায়ই পরিচালনা করা হয় অবৈধ ছোট ট্রলার বা এমএল টাইপের লঞ্চ। মানুষ বাধ্য হয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ সব নৌ-যানে যাতায়াত করে থাকে।

লাহারহাট লঞ্চঘাট ইজারাদার মহাসীন বলেন, লঞ্চ আসলে যাত্রিদের টিকিট নেয়ার মত সময় থাকে না, দেখা যায় টিকিট না নিয়েই লঞ্চে উঠে যায়।
টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ানম্যান বাহাউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি এই বিষয়ে আগে জানতাম না আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। আমি এই বিষয় খোজ নিয়ে দেখবো।

বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানার কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন তালুকদার জানান, যদি কেউ সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে স্পিডবোট জরুরি প্রয়োজন ছাড়া চলাচল করে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়াও যদি স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে তাকে ও আইনের আওতায় আনা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।     Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.  
Theme Customized By BreakingNews