হিজলায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার অভিযোগ তদন্তে পিবিআই।
আপডেট সময় :
শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১
৭৩৮
০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টারঃ
বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার ২ নং মেমানিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড খাগেরচর এলাকার ইউপি সদস্য হামীম মাতুব্বর এর বিরুদ্ধে তারই প্রতিবেশী এক নারী ধর্ষণ মামলার অভিযোগ করেন।
মামলার বাদী ঐ নারী এজাহারে উল্লেখিত আসামির ছোট ভাই হাবিব মাতুব্বর এর সদ্য তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী। মামলার অভিযোগটি বিজ্ঞ আদালত আমলে নিয়ে তদন্তের দায়িত্ব দেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কে। মোকাম বরিশাল বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন(২০০০) সংশোধনী (২০০৩) ৯(১) ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। এই আইনে অভিযোগটি আদালতে প্রমাণিত হলে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে বলে পিবিআই এর তদন্ত কর্মকর্তা কাউসার আহমেদ আমাদের জানান। আজ ০২/১০/২০২১ ইং রোজ শনিবার বেলা বারোটার পরে ঘটনাস্থলে পিবিআইয়ের কর্মকর্তা কাওছার আহমেদ এর নেতৃত্বে দুজন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন এর সদস্য আদালতের নির্দেশে সরেজমিনে তদন্তে আসেন।
পরে এজাহারে উল্লেখিত সাক্ষীদের কয়েকজনের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেন। বাদিনি এজাহারে উল্লেখ করেন গত ১০/০৯/২০২১ ইং রোজ শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২ ঘটিকায় বাদিনি খাওয়া-দাওয়া শেষে নিজ শয়নকক্ষে ঘুমের জন্য প্রস্তুতি নেন।
এমতবস্থায় এজাহারে উল্লেখিত আসামি পিছনের দরজা দিয়ে আমাকে ডাকাডাকি করেন দরজা খোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে বলে। তখন আমি সরল মনে দরজা খুললে সাথে সাথে আসামি আমার উপর ঝাপিয়ে পড়ে। এবং আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমাকে ধর্ষণ করেন, আমার ১০ বছরের মেয়ে রিয়া মনির ঘুম ভেঙ্গে গেলে দর্শনকারী পালিয়ে যান।
এছাড়াও বাদিনী আরো অভিযোগ করেন যে, পরদিন ঘটনাটি আমি এলাকার গণ্যমান্য কয়েকজন এবং আমার নিকট আত্মীয় স্বজনকে অবগত করি। কিন্তু অপরাধী স্থানীয় মেম্বার ও প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ আমাকে কোন ধরনের সহযোগীতা না করে আরো দ্বিমত পোষণ করেন। পরে আমি হিজলা থানায় উপস্থিত হয়ে মামলা দায়েরের কথা জানালে থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা অভিযোগটি গ্রহনে অস্বীকৃতি প্রকাশ করেন।
এবং আমাকে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগ দায়ের করতে পরামর্শ দেন। পড়ে আমি থানা থেকে নিজ বাসস্থানে ফিরে আবার আমার নিকটতম কয়েকজন আত্মিয়ে সাথে ব্যাপারটি নিয়ে আবার আলোচনা করি। পরে ২২/০৯/২০২১ ইং তারিখে বরিশাল বিজ্ঞ আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে অন্যের বিনা প্ররোচনায় সুস্থ মস্তিষ্কে সজ্ঞানে মামলা দায়ের করি। যার কারণে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করতে আমার বিলম্বিত হয়।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.
Leave a Reply