
মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস নিউজ ডেস্ক//
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অফিসের অফিস সহকারী জাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে তাকে অপসারণের দাবীতে সাধারণ জনগণ ও মৎস্যজীবী সদস্যদের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১২ এপ্রিল, (রবিবার) সকালে উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকে অনুষ্ঠিত হয় এই মানববন্ধন।
মানববন্ধনে বক্তারা জাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে অভিযানে পরিচালনায় গিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাকে অপসারণের দাবী জানিয়েছেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অফিস সহকারী জাহিদ বলছেন ভিন্ন কথা, জাহিদ বলেন, ‘ সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ নিধন ও পরিবহন ঠেকাতে আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি সাপেক্ষেই অভিযান পরিচালনা করি। ’অভিযানে জব্দকৃত অবৈধ জাল ও মাছ সহ সবধরনের মালামাল অফিসে নিয়ে আসা হয়। তারপর আমার সিনিয়র কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর উপস্থিতিতেই বাকী আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। আমার ব্যক্তিগত ক্ষমতা নেই আইন বহির্ভূত কিছু করার।
জাহিদ আরও বলেন, ‘দুইমাস ধরে চলা অভিযানে আমি কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করছি। ফলে কিছু অসাধু জেলে ও মাছ বিক্রেতা একত্রিত হয়ে আমার সুনাম বিনষ্ট করার লক্ষ্যে আমার নামে বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে মেহেন্দিগঞ্জ থেকে সরানোর জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। জাহিদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা কেবলই ষড়যন্ত্র। মুলত মেহেন্দিগঞ্জ থেকে আমাকে সরাতে পারলেই মাছ ধরা ও বিক্রিতে পথের বাধা কেটে যাবে।
এই বিষয়ে, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওমর সানি বলেন,শুনেছি অফিস সহকারী জাহিদকে অপসারণের দাবিত্ব মানববন্ধন করেছে কারা যেন। তবে আমার কাছে কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
গর ১০ এপ্রিল জাটকা নিধনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান জাটকা জব্দ করেন মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অফিসের অফিস সহকারি মোহাম্মদ জাহিদ হাসান। ওই অভিযানে প্রায় ৪০০ কেজি জাটকা ও দুইটি ট্রলার জব্দসহ দুইজনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে আটককৃতদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মো. রিয়াজুর রহমান। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্দেশে জব্দকৃত জাটকা বিভিন্ন মাদরাসা ও এতিমখানাসহ দুঃস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
Leave a Reply