মেহেন্দিগঞ্জে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু! স্বজনদের দাবী হত্যা করে দুর্বৃত্তরা গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে।
আপডেট সময় :
বুধবার, ১১ আগস্ট, ২০২১
৩৪৫৪
০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে
মেহেন্দিগঞ্জ প্রতিনিধি//
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আলীমাবাদে আবু তাহের (১৮) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১১ আগষ্ট ) সকালে ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মাঝকাজী নিজ বাড়ির সামনের একটি আম গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। নিহত আবু তাহের ওই গ্রামের মৌলভী হারুন অর রশিদ’র ছেলে ও ঢাকা সরকারি জামিলা আইনুল স্কুল এন্ড কলেজের এইচএসসি ২য় বর্ষের ছাত্র। তাকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা গাছের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে বলে পরিবারের সদস্যরা দাবী করছেন।
তবে পুলিশ বলছে ময়নাতদন্তের রির্পোট পাওয়ার পর জানা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রিয়াজ হাওলাদার জানান, ঘটনার দিন সকালে নিহতের বাড়ির সামনে গাছের ডালের সাথে ওই যুবকের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায় খালা শাহীদা ও মা রাবেয়া বেগম। লাশ দেখে ডাকচিৎকার দিয়ে জীবিত মনে করে তরিগরি করে লাশটি নামিয়ে আনেন। পরে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহতের বাবা বলেন, আমার ছেলেকে পূর্ব শত্রুতার জেরে হত্যা করে লাশ গামছা দিয়ে গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখে খুনিরা । তিনি আরো বলেন, তার ছেলের সাথে এলাকার ডাক্তার ইউসুফ হাওলাদার’র ছেলে, আসিফ, রায়হান, রিফাতসহ কয়েকজনের সঙ্গে শত্রুতা চলছে। এ নিয়ে আমার ছেলেকে একাধিকবার মারধরও করেছে, তাদের প্রতিও সন্ধেহের তীর। এছাড়াও জমিজমার বিরোধের জেরেও দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে থাকতে পারে। কেউ কেউ বলছেন তাদের সাথে জমাজমির শালিস-মিমাংসা করা হলেও স্থানীয় আমিন আবুল খায়ের’র বিরোধিতার কারনে মিমাংসা করা হয়নি।
নিহতের খালা শাহীদা বলেন, তিনি ফজরের নামাজ আদায় করে বাহিরে ঘুড়তে বের হওয়ার জন্য দরজা খুলতে গিয়ে দেখেন বাহির পিট দিয়ে দরজা আটকানো তখন তিনি জানালা দিয়ে বাহিরে তাকিয়ে দেখেন, তার বোন পুত আবু তাহের ঘরের সামনে আমগাছের সাথে দাড়িয়ে আছেন আর গলাটা গামছা দিয়ে গাছের সাথে বাঁধা। এ সময় তিনি ডাকচিৎকার দিলে নিহতের মা ও বোন পিছনের দরজা খুলে লাশটি জীবিত মনে করে নামিয়ে এনে তেল পানি দিয়ে সুস্থতার চেষ্টা করেন। খালা আরও বলেন, লাশের শরীরের আঘাতের চিহ্ন দেখেছেন এবং নিহতের পা মাটিতে ছিলো। তার ধারণা তাকে মঙ্গলবার রাতে ১০টার পর যে কোন সময় হত্যা করা হয়েছে। ওই রাতে আনুমানি সাড়ে ৯ টার সময় সে খাওয়াদাওয়া করেছে। এছাড়াও নিহতের মানিব্যাগে দুটি মোবাইল ছিলো তার মধ্যে ১টি টাচ মোবাইল এবং মানিব্যাগের ৫ হাজার টাকাও উধাও । অভিযুক্ত আসিফ এর বাবা ইউসুফ ডাক্তার বলেন, ঘটনার রাতে আমার ছেলে বাড়িতে ছিলো এবং পূর্ব শত্রুতা মিটিয়ে দিয়েছিলো এলাকার গন্যামান্যরা।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.
Leave a Reply