
এস এম সাহে আলম,কাজির হাট//
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানার বিদ্যানন্দ পুর ইউনিয়নে পশ্চিম রতনপুর, চিলমারী জোড়া ব্রিজ, বিদ্যানন্দপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন, বিদ্যানন্দপুর ৯ নং ওয়ার্ড ইটের বাটা সংলগ্ন, মুস্তান পট্টি, ব্যাংকের হাট সাইকোলজোন সেন্টার সংলগ্ন, উত্তর রতনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংলগ্নে রুস্তম সরদারের ঘরে, সানাই ঢালির,বাড়ি, সুমনের ঘরে পঙ্কজ দেবনাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংলগ্নে ২ নং ,লতা ইউনিয়নে ফজলে রাব্বির মাছের ঘেরে ভিতর বাগানে, কাজিরহাট একতা কলেজ মাঠে রাত্র আটটার পরে স্থানীয়ভাবে পরিচিত বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নে বিভিন্ন স্থানে ও লতা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্পটে সর্বসময়েই মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক বেচাকেনা ব্যস্ত থাকেন কাজিরহাট এলাকায় জয়নগর, আন্দার মানিক, লতা ভাসান চর বিভিন্ন স্পটে এখন প্রকাশ্যে মা*দ*ক বেচাকেনার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের চোখের সামনেই এখানে প্রতিনিয়ত চলছে মাদকের অবাধ লেনদেন, যা স্থানীয় যুবসমাজকে ধ্বং*সে*র দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিন কিংবা রাতে বিদ্যানন্দপুরে উত্তর রতনপুর রুস্তম সরদারের বাড়ি তাহার ঘরে মাদকের পূর্ণাঙ্গ স্পটে পরিণত হয় মা*দ*কসে*বী ও ব্যবসায়ীদের নিরাপদ আড্ডাখানায়। বিভিন্ন এলাকা থেকে মা*দ*কসে*বী*রা এখানে এসে জড়ো হয় এবং সহজলভ্যভাবে সংগ্রহ করছে ই*য়া*বা, গাঁ*জা ও অন্যান্য মা*দ*ক*দ্রব্য। এতে করে এলাকার সামাজিক পরিবেশ মা রা ত্ম ক ভাবে ক্ষ তি গ্র স্ত হচ্ছে।
একাধিক এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, এই মাদক ব্যবসায়ীরা কিভাবে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা করে বীরদর্পে ঘোরাফেরা করে। এখন যুব সমাজকে শেষ করে দেওয়ার একটি পয়েন্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন তরুণ এইসব স্পটে এসে মা*দ*কে*র নে*শা*য় জড়িয়ে পড়ছে। এলাকাবাসীর জানান প্রশাসন জানার পরও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
অভিভাবকদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে চরম উদ্বেগ। তারা জানান, তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা আ*ত*ঙ্কি*ত হয়ে পড়েছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে মা*দ*ক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অ*ভি*যা*ন ও নজরদারি জোরদার করা হলে এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, কাজিরহাট থানা প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই মাদক চক্রের অবসান ঘটাবে এবং পশ্চিম রতনপুর সহ সবকয়টি ইউনিয়নে একটি নিরাপদ পরিবেশে ফিরিয়েআনতে পারবে বলে এলাকাবাসীর ধারণা।
Leave a Reply