মুরাদনগরে তোলপাড় ‘যুবলীগ নেতা’ এখন যুবদলের আহ্বায়ক!
আপডেট সময় :
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
৩৮৩
০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে
অনলাইন ডেস্কঃ
নাম সোহেল সামাদ, পেশায় ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা যুবলীগ এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে ছিল দারুণ সখ্য। দলীয় কোনো পদ-পদবি না থাকলেও এলাকার লোকজন তাকে চেনেন যুবলীগ নেতা হিসাবে। বিগত দিনগুলোতে আওয়ামী লীগের দলীয় নির্বাচন এবং নানা কর্মকাণ্ডে ছিলেন সক্রিয়। স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ জেলা এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার অসংখ্য ছবি এখন ফেসবুকে ভাইরাল। সম্প্রতি তিনি বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের মুরাদনগর উপজেলা শাখার আহ্বায়কের পদ পেয়েছেন। এ নিয়ে এলাকায় চলছে ব্যাপক সমালোচনা। হঠাৎ দলবদল করে কিভাবে রাতারাতি এতবড় নেতা হওয়া যায় এর দৃষ্টান্ত খোদ সোহেল সামাদ। তিনি মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন পীর কাশিমপুর গ্রামের বাসিন্দা। তবে এ বিষয়ে সোহেল সামাদ বলেন, আমি কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না, আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছি। আমি যুবদলের আহ্বায়ক পদ পাওয়ার কারণে দলের বিদ্রোহী একটি গ্র“প এসব ছবি ফেসবুকে ভাইরাল করছে।
জানা যায়, ২০ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করে কেন্দ্রীয় যুবদল। গঠনতন্ত্র অনুসারে জেলা যুবদলের এ কমিটি অনুমোদন দেওয়ার কথা থাকলেও কেন্দ্রীয় যুবদলের দপ্তর সম্পাদক কামরুজ্জামান দুলাল স্বাক্ষরিত ৩১ সদস্য বিশিষ্ট মুরাদনগর উপজেলা যুবদলের কমিটি চূড়ান্ত করা হয়। এতে মো. সোহেল সামাদকে আহ্বায়ক, মাসুদ রানাকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সৈয়দ হাসান আহাম্মদকে সদস্য সচিব করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যদের নিয়ে দলের ভেতরে বাহিরে কারও আপত্তি না থাকলেও আহ্বায়ক সোহেল সামাদকে নিয়ে চলছে ব্যাপক সমালোচনা। রাতারাতি ভোল পাল্টে তিনি কিভাবে বিএনপির একটি অঙ্গসংগঠনের এত বড় পদ পেলেন এ নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
একাধিক বিএনপি নেতা জানান, সোহেল সামাদ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় থাকা অবস্থায় তার ইন্ধনে অনেক নেতাকর্মী পুলিশি হয়রানির শিকার হয়েছেন। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডসহ নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তাকে এত বড় পদ দিয়ে কেন্দ্রীয় যুবদল নেতারা তৃণমূলের সঙ্গে বেইমানি করেছেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি ভিপি শাহাবুদ্দিন বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জেলা কমিটি সম্মেলনের মাধ্যমে উপজেলা কমিটি গঠন এবং অনুমোদন করার কথা। কিন্তু মুরাদনগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি কিভাবে অনুমোদন পেল আমরা তা জানি না।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.
Leave a Reply