
মেহেদী তামিম, বরিশাল।ব্যাস্ত পৃথিবী আজ থেমে গেছে (কোভিড ১৯) এর কাছে।সুধু পৃথিবী একাই থেমে যায়নি থেমে গেছে মানুষের জীবন, থেমে গেছে মানুষের কর্ম,চলে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত অসংখ্য মানুষের শেষ নিশ্বাষ।পৃথিবীর অন্যতম একটি স্বাধীন, মধ্যম আয়ের দেশ বাংলাদেশ । (কোভিড ১৯) এর প্রকট ঢেউ লেগেছে বাংলাদেশ তথা বরিশালেও। সরকার ধাপে, ধাপে করোনা রোধের জন্য বরিশাল সহ সারা দেশে দিয়েছে কঠোর লকডাউন। নিয়েছে নানা পদক্ষেপ, প্রতিনিয়ত চলছে কঠোর লকডাউনের অভিযান।কিন্তু কে শোনে কার কথা,কে মানে কার কঠোর লকডাউন।কারন আমরা বাঙালি বীরের জাতি। করোনা আমাদের কাছে কিছুই না।বলছি বরিশালের কথা। অন্যান্য জেলার চেয়ে বরিশালে করোনায় আক্রান্ত রোগী সহ মৃত্যর হার বেশি। কারন মানছেনা সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন,চলছে যে যার মত।যার কারনে আজ বরিশালে করোনার এ অবস্থা। সরোজমিনে ঘুরে দেখা যায় বরিশালের বিভিন্ন সড়কে চলছে পায়ের রিকশা, ইন্জিনচালিত রিকশা, সহ হলুদ অটোরিকশা, চোখে পড়ে সি,এন,জিও।বরিশালের বাজার রোডে দেখা যায় অসংখ্য ইঞ্জিনচালিত রিকশার চালক সহ,হলুদ অটোরিকশার চালকদের মুখে মাস্ক নেই, মাস্ক থাকলেও নেই মাস্কের সঠিক ব্যাবহার,দেখা যায় অসংখ্য মাস্ক বিহীন যাএীও।মাস্কবিহীন ইঞ্জিনচালিত রিকশা চালক সুমন কে জিজ্ঞেসা করা হলে ভাই আপনার মাস্ক কোথায়?তিনি বলেন ভাই মাস্কতো ছিলো মনে হয় রাস্তায় পরে গেছে। অটোরিকশার চালক রাজ্জাক কে জিজ্ঞেসা করা হলে আপনার মাস্ক পকেটে কেন তিনি বলেন ভাই সব সময় মাস্ক পরে থাকতে পারিনা,শ্বাস আটকে যায়।নাম প্রক্যাশে অনিচ্ছুক মাস্ক বিহীন একজন অটোরিকশার যাএী বলে ভাই মাস্ক পরলেই নাক, মুখ ঘামায়।মোটকথা আমরা বাঙালিতো কাউকে বুঝ দেয়ার মত কথার যোগ্যতা আমাদের আছে। কিন্তু ক্ষতি কার আমার না আপনার।আপনি আমি যদি সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন না মেনে চলি তাহলে সরকারের একার পক্ষে দেশ থেকে তথা বরিশাল থেকে করোনা রোধ করা সম্ভব না। তাই আমাদের সকলের উচিত সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন মেনে চলা।
Leave a Reply