
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দীর্ঘ ৬ মাস কেটে গেলেও আজও পুলিশের হাতে৷ ধরা পরেনি বরিশাল জেলাধীন আগৈলঝাড়া উপজেলার আশকর কালীবাড়ি নিবাসী যোগেশ কুমার বিশ্বাসের পুত্র প্রতারণার অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত আসামী মিঠুন কুমার বিশ্বাস। ভুক্তভোগী বাদী গনেশ চন্দ্র দাস এ ব্যাপারে পুলিশের অবহেলাকে দ্বায়ী করছেন।তবে প্রশাসনের দাবী, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামির পালিয়ে থাকার কোন সুযোগ নেই।আজ হোক,কাল হোক আইনের কাছে ধরা পরবেই।সুত্র জানায়, বরিশাল সদর উপজেলাধীন শোলনা নিবাসী নলীনিকান্ত দাসের পুত্র গনেশ চন্দ্র দাসের সাথে ২০১৮ সালে পরিচয় হয় আগৈলঝাড়ার আশকর কালীবাড়ি নিবাসী মিঠুন কুমার বিশ্বাসের। গনেশের কাছে মিঠুন নিজেকে প্রশাসনের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা পরিচয় দেয় এবং তার হাতে অনেক চাকরি আছে বলে জানায়।গনেশ সরল বিশ্বাসে মিঠুনের কথা বিশ্বাস করে এবং নিজের চাকরির জন্য মিঠুনের দাবি অনুযায়ী ২ টি চেকের মাধ্যমে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা প্রদান করে। কিন্তু প্রতারক।মিঠুন গনেশকে চাকরি না দিয়ে টালবাহানা শুরু করে।তখন গনেশ মিঠুনের কাছে টাকা ফেরত চাইলে মিঠুন টাকা ফেরত না দেয়ায় ভুক্তভোগী গনেশ চতুর্থ যুগ্ন দায়রা জজ আদালত, বরিশালে সেসন মামলা নং যথাক্রমে ৫৮০/২০২০ এবং ৫৮২/২০২০ দায়ের করে। বিজ্ঞ আদালত দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে চলতি বছর ২২’শে ফেব্রুয়ারী ৭৬ এবং ৭৭ নং স্বারকে আসামি মিঠুনকে মোট ১১ মাস কারাদন্ড প্রদান করেন।কিন্তু কারাদণ্ড প্রদানের পরে ৬ মাস অতিবাহিত হলেও আজও গ্রেফতার হয়নি মিঠুন। তবে ভুক্তভোগী গনেশ এ ব্যাপারে প্রশাসনের উদাসীনতাকে দ্বায়ী করলেও আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার জানান,কোন সাজাপ্রাপ্ত আসামীই পালিয়ে থাকতে পারবে না। ধরা তাকে পরতেই হবে।
Leave a Reply