বাকেরগঞ্জ থানার আওতাধীন ১৪নং নিয়ামতি ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত. মো. ইউসুফ আলী’র স্ত্রী মোসা. রেখা বেগম তিনি ৩ সন্তানের জননী তার স্বামী ছিলো একজন দিন মজুর। মোসা. রেখা বেগমের স্বামী মৃত্যুর পরে স্থানিয় বাজার (তুনান বাজার) চায়ের দোকান দিয়ে চা বিক্রি করে ৩ (তিন) সন্তান নিয়ে কোন রকম মানবতার জিবন জাপান করে আসছে।
মোসা. রেখা বেগমের এই সরলতা ও অসহাত্বের সুযোগ নিয়ে ৭নং ওয়ার্ডের মৃত. মো. সাহেব আলী তালুকদারের ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য লম্পট আব্দুল রহিম তালুকদার বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ৩-৪ মাস যাবত অবৈধ শারীরিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করে আসছে এবং কাবিন রেজিস্ট্রেশন করে বিয়ে করবার কথা বলে আশ্বাস দেয় ও আল্লার কোরআন হাতে নিয়া শপথ করেন।
ইতিমধ্যে মোসা. রেখা বেগম বিয়ে করে কাবিন রেজিস্ট্রেশন করতে বললে সে তা না করেই উল্টো তার মুখ বন্ধ রাখতে বলেন লম্পট আব্দুল রহিম তালুকদার এবং হুমকি দিয়ে বলে এ ব্যপারে মুখ খুললে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেবে। প্রাণে বাচার জন্য এলাকার গন্যমান্য ও স্থানিয় সাংবাদিকের সাহায্য চায় এবং তারা তাকে সাহায্য করেন।
কিন্তু তার পরেও প্রভাবশালি লম্পট আব্দুল রহিম তালুকদার তার ক্ষমতার জোরে বিষয়টা ধামাচাপা দেয়ার জন্য প্রাণে মারার হুমকি দিয়েই আসছে। পরে মোসা. রেখা বেগম স্থানীয় গন্যমান্য লোকের কাছে জানান এবং তারা স্থানিয়বাবে সমাধান করা জন্য লম্পট আব্দুল রহিম তালুকদারকে ডাকলে তিনি কোনভাবেই বিরছেননা উল্টো মোসা. রেখা বেগমেকে মেরে ফেলবার হুমকি দেন ধর্ষক নারী কেলেঙ্কারির লম্পট আব্দুল রহিম তালুকদার।
এবিষয়ে নারী কেলেঙ্কারির লম্পট আব্দুল রহিম তালুকদারে পক্ষে নামধারী একটি কুচক্রী মহল তাকে বাচাতে এবং দামাচাপা দেয়ার জন্য সক্রিয় কাজ করছেন যা সম্পন্ন অমানবিক, উক্ত কুলুটি মোসা. রেখা বেগম জানতে পারে এবং প্রাণে বাচার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবতার জননী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার সহযোগিতা চেয়েছে তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুকে একটা স্ট্যাটাস আপলোড করেন।
স্থানিয় গণমাধ্যম কর্মী ও সাংবাদিক গণ স্ট্যাটাস টি দেখে সরজমিনে যান এবং সরজমিন তদন্তের এর সত্যতা পাওয়া যায়।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.
Leave a Reply