মেমানিয়ায় নৌকার মনোনীত প্রার্থী ডাঃ অলিউদ্দিন জনসমর্থনে শীর্ষে।
-
আপডেট সময় :
রবিবার, ২১ মার্চ, ২০২১
-
৬১৪
০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক //
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার ২নং মেমানিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ডাক্তার অলি উদ্দিন তালুকদার প্রচার প্রচারণা ও জনসমর্থনে শীর্ষে।
উক্ত ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন চাইলেও সার্বিক দিক বিবেচনা করে ডাক্তার অলি উদ্দিন তালুকদারকে মূল্যায়ন করে তার হাতে নৌকা তুলে দিয়েছেন কেন্দ্র।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তব্যে বিদ্রোহীদের প্রতি কঠোর বার্তা রয়েছে।
কিন্তু প্রধান বিরোধী দল বিএনপি যেহেতু এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না সেহেতু নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করার লক্ষ্যে বিদ্রোহীদের প্রতি কিছুটা ছাড় দিয়েছে। সে সুযোগটি এবারের নির্বাচনে বিদ্রোহীরা কাজে লাগিয়েছে।
ইতিমধ্যে টাকা দাখিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং ইউনিয়ন টিতে আওয়ামী লীগ থেকে একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে।
বিগত কয়েক বছর হিজলার রাজনীতির প্রেক্ষাপটে দলটি দুই মেরুতে বিভক্ত। সে কারণে একে অপরকে কোন প্রকার ছাড় দিতে নারাজ।
এ ব্যাপারে উক্ত ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ঘুরে অনেকের সাথে আলাপ-আলোচনা করে জানা যায়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যেমন জেলে, দিনমজুর, ব্যবসায়ী, কৃষক।এরা আমাদেরকে জানান যেহেতু আওয়ামী লীগ অলিউদ্দিন তালুকদার কে মনোনীত করেছে তাই আমরা দলের সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা করে নৌকায় ভোট দিয়ে বিজয় করব।
অনেকে আবার এ-ও মন্তব্য করেছেন যেহেতু নির্বাচন এখনো কিছুটা সময় বাকি কাকে আমরা ভোট দিবো সেটা এখনও আমরা সিদ্ধান্ত নেইনি যেহেতু এটি স্থানীয় নির্বাচন।
তবে উক্ত ইউনিয়নের সিংহভাগ ভোটাররা দাবি করেছেন যে বর্তমানে নৌকার পদপ্রার্থী যিনি, তার পিতা মরহুম আব্দুল করিম মাস্টার ছিলেন একজন সফল চেয়ারম্যান তার উত্তরসূরি হিসেবে তিনি নৌকার এনেছেন তাই আমরা দল-মত-নির্বিশেষে তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে ইনশাল্লাহ।
এ ব্যাপারে উক্ত ইউনিয়নটি ওয়ার্ড পর্যায়ের কিছু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে আলাপকালে তারা আমাদেরকে জানিয়েছেন।
ভাই আমাদের এলাকায় আমাদের দলটি যেহেতু দুটি মেরুতে বিভক্ত তাই আমরা পড়েছি এখন বিপাকে।
কি বিপাকে পড়েছেন এমন প্রশ্নে তারা বলেন,ভাই দুই মেরুর একটি সক্রিয় এবং ত্যাগীরা রয়েছেন কোণঠাসা যেহেতু এবার মনোনয়ন বোর্ড মূল্যায়ন করে যার হাতে নৌকা তুলে দিয়েছেন আমরা তাকেই সমর্থন করি। আপাতত আমরা প্রকাশ্যে কোন মিটিং মিছিল এবং প্রচারণায় যাইতে পারছি না।
তবে আওয়ামী লীগ যেহেতু করি দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সিদ্ধান্তকে সম্মান দেওয়াটাই দরকার সেই হিসেবে নৌকার বিকল্প নেই।
এ ব্যাপারে ইউনিয়ন পর্যায়ে একাধিক নেতাদের সাথে আলাপ করলে তারা আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন।
আমাদের দেশে এখন সবাই আওয়ামী লীগ হয়ে গেছে আওয়ামী লীগের দুর্দিনে যারা এলাকায় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল তাদের গায়ে এখন মুজিব কোট।
তারা হয়ে গেছে এখন আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা নিজের আখের গোছানোর উদ্দেশ্যে তারা রাজনীতি করে।
মূল্যায়ন করছেন না কোন কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশ।
প্রকৃতপক্ষে যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করেন যারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মী তারা নৌকা ব্যতীত অন্য কিছু ভাবতে পারে না।
নৌকা প্রতীক কাকে দিল না দিল সেটা বড় কথা নয় দলকে সম্মান করে নৌকায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করা এটা প্রতিটা আওয়ামী লীগ কর্মীর দরকার।
সর্বোপরি দলের সিদ্ধান্তকে সম্মান করে নৌকায় ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করব ইনশাআল্লাহ।
এ ব্যাপারে উক্ত ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ডাক্তার অলি উদ্দিন তালুকদারের কাছে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি আমাদেরকে জানিয়েছেন।
আমার বাবা সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল করিম মাস্টার এই ইউনিয়নের একজন সফল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একাধিক যোগ্যপ্রার্থী থাকার পরেও। সার্বিক দিক বিবেচনা করে যেহেতু দল আমাকে মূল্যায়ন করে নৌকর প্রার্থী মনোনীত করেছে। তাই আমার পক্ষ থেকে দক্ষিণ বাংলার বীর পুরুষ জনাব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
পাশাপাশি সকল ভেদাভেদ ভুলে যারা আওয়ামী লীগ করেন তারা এক কাতারে এসে নৌকার পক্ষে কাজ করুন এই আশা ব্যক্ত করি।
তবে সর্বোপরি শান্তি-শৃঙ্খলা মত যদি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তাহলে আমি বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো ইনশাআল্লাহ।
নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
Leave a Reply