আবুল হাসেম//মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ৭নং ভাসানচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের বর্তমান যুগ্ম আহ্বায়ক আল আমিন খান। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে তিনি নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ইতোমধ্যে তৎপরতা বেড়েছে। বিশেষ করে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন কে পাচ্ছেন, তা নিয়ে ইউনিয়নজুড়ে চলছে নানা আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা। চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে আল আমিন খানকে ঘিরেও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চান আল আমিন খান
আল আমিন খান জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের পাশে থেকে কাজ করে আসছেন। অসহায় ও দরিদ্র মানুষকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদানসহ বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এলাকার মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছেন।
ইউনিয়নবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আপনারা দীর্ঘদিন ধরে আমাকে যে ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়ে আসছেন, তার জন্য আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। আপনারা যদি আমাকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে পাঁচ বছরের জন্য আপনাদের সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে আমি আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। সুখে-দুঃখে আপনাদের সঙ্গে থাকতে চাই। আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই।”
হামলা-মামলার মধ্যেও এলাকা ছাড়েননি বলে দাবি
নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আল আমিন খান বলেন, বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যাননি বলে দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, “আগামী দিনেও আমি আমার এলাকার গরিব, অসহায় ও মেহনতি মানুষের পাশে থাকব। তাঁদের সুখে-দুঃখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চাই। মানুষের পাশে থাকা এবং এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখাই আমার লক্ষ্য।”
ধানের শীষের মনোনয়ন পেলে উন্নয়নের অঙ্গীকার
বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে আল আমিন খান বলেন, দলের পক্ষ থেকে তাঁকে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বেছে নেওয়া হলে তিনি এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবেন।
তিনি বলেন, “বিএনপি যদি আমাকে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বেছে নেয়, তাহলে আমি এলাকার গরিব, দুঃখী ও মেহনতি মানুষের পাশে আছি এবং থাকব, ইনশাআল্লাহ। এলাকার উন্নয়নে ইতোমধ্যে কাজ করেছি, আগামী দিনেও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে চাই।”
চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান সমর্থকেরা
স্থানীয় পর্যায়ে আল আমিন খানকে নিয়ে আলোচনা রয়েছে। তাঁর সমর্থকদের দাবি, সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং এলাকার মানুষের পাশে থাকার কারণে তাঁকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান অনেকে।
তবে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন শেষ পর্যন্ত কে পাচ্ছেন, তা নিয়ে এখনো রয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। দলীয় সিদ্ধান্তের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সমর্থন ও আস্থা অর্জনও সম্ভাব্য প্রার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সব মিলিয়ে, আসন্ন ৭নং ভাসানচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আল আমিন খান। দলীয় মনোনয়ন পেলে জনসেবা ও এলাকার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। এখন অপেক্ষা বিএনপির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের।
Leave a Reply