ওই রোহিঙ্গা যুবকের নাম জাকির হোসেন (২২)। সে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২ এবং এক নম্বর ব্লকের শরণার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াছের ছেলে।
জানা যায়, ওই রোহিঙ্গা যুবক পেটে ব্যথা অনুভব করার পর তাকে চকরিয়ার মালুমঘাম মেমোরিয়াল খ্রিস্টান হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ সময় আলট্রাসনোগ্রাফসহ বিভিন্ন পরীক্ষার পর সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে পেটের ভেতর থেকে একে একে বের করা হয় ইয়াবাভর্তি ৩৯টি পোটলা।
পরে সেসব পোটলা খুলে পাওয়া যায় ১৯৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট। এই প্রথম কোনো ইয়াবা পাচারকারী বা কারবারির পেট থেকে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে বের করা হলো ইয়াবা ট্যাবলেট। এনিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সবাই রীতিমতো অবাক হয়ে যান।
পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চকরিয়া থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে ওই ইয়াবা জব্দসহ সিজারিয়ান অপারেশনের পর হাসপাতালের বেডে চিকিৎসাধীন রোহিঙ্গার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে।
তিনি জানান, জাকির হোসেনকে ক্যাম্পে কর্মরত এমএসএফ নামক একটি এনজিও সংস্থার প্রতিনিধিরা শুক্রবার সন্ধ্যার আগে চকরিয়ার মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিস্টান হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করলে প্রথমে আলট্রাসনোগ্রাফসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.
Leave a Reply