অরক্ষিত হিজলার অভয়াশ্রম,চাঁদাদিলে জাটকা নিধনের সুযোগ না দিলে জেল জরিমানা শিকার।
আপডেট সময় :
রবিবার, ২০ মার্চ, ২০২২
৩৪৩
০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক।
বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলায় জাটকা সংরক্ষণ দেশের ষষ্ঠ অভয়াশ্রমের আওতায়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে দেদারছে নিধন করা হচ্ছে জাটকা, সরকারি আইনে বলা আছে জাটকা সংরক্ষণ অভিযানে সকল ধরনের মাছ ধরা ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহন করা দন্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু এখানের চিত্র উল্টো অধিকাংশ মেঘনার পাড়ে মাছের আরদ গুলো রয়েছে খোলা,ক্রয় করা হচ্ছে মাছ। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলে বলেন বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দিয়ে আমাদের মাছ শিকার করতে হয়, যারা চাঁদা না দেয় তাদের বেলায় অভিযান,আর যারা টাকা ঠিক মত দিয়ে থাকে তারা অভিযান এর আওতায় পড়ে না। এ ব্যাপারে মোহাম্মদ রহমান নামে অপর জেলে বলেন,প্রতিদিন ২৮০০/ শত করে নৌকা প্রতি চাঁদা দিতে হয় আমাদের। গভীর মেঘনা নদীতে রাতে কোন প্রশাসনিক অভিযান পরিচালিত হয় না। শুধু দিনের বেলায় নদীগুলোতে প্রশাসন টহল দিয়ে থাকে তখন আমরা মাছ শিকারে নামি না। এ ব্যাপারে হিজলা নৌ পুলিশের ওসি সোহেল রানা বলেন বিশাল নদী এলাকায় আমাদের লোকবল সঙ্কট তারপরও চেষ্টা করে যাচ্ছি সরকারি আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে। গভীর মেঘনায় রাতে আমাদের অভিযান পরিচালনা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ)বিমল চন্দ্র দাস বলেন, আমরা আমাদের সাধ্যমত সকল অফিসাররা চেষ্টা করে যাচ্ছি সরকারি আইন বাস্তবায়নে। তারপরও শতভাগ অভিযান সফল করা সম্ভব হয়না কোন কালেই, আপনার অভিযোগ খতিয়ে দেখছি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লখ্য, হিজলার মেঘনার নদীর বিভিন্ন চরাঞ্চল যেমন, খালিশপুর,জানপুর, অন্তরভামসহ বিভিন্ন এলাকায় রাত হলেই দূর-দূরান্ত থেকে অনেক পাইকার এসে ট্রলার বোঝাই করে জাটকা ক্রয় করে নিয়ে যায়, হিজলার স্থানীয় প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট চক্র এর সাথে জড়িত। জাটকা নিধন ক্রয় বিক্রয় এর মিলন মেলা চলে ভোররাত পর্যন্ত।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.
Leave a Reply