1. mdshuvo11167@gmail.com : admin :
  2. mehendiganjtimes20@gmail.com : Faisal Howlader : Faisal Howlader
  3. mehendiganjtimes2020@gmail.com : Mehendiganj Times : Mehendiganj Times
অনুমতি ছাড়াই চলে নমুনা পরীক্ষা করোনা কেলেঙ্কারিতে শিশু হাসপাতাল - মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস ।। Mehendiganj Times
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
কাজিরহাটে ৩০ বছর ধরে বেহাল রাস্তা, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ। মেহেন্দিগঞ্জ হাসপাতালের সেবার মান বাড়াতে কঠোর বার্তা প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের – অব্যবস্থাপনা মানা হবে না। মেহেন্দিগঞ্জ থানা বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মনোনীত! মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলায় অবদানের জন্য ওসি মমিন উদ্দিনকে ক্রেস্ট প্রদান। মেহেন্দিগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। হিজলায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী হামলা, নারীসহ আহত ৩ লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত সোহেলের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার চেক দিলেন নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। মেহেন্দিগঞ্জে স্কুল মাঠ থেকে ১৫ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার। মেহেন্দিগঞ্জে কালবৈশাখীর ক্ষত চিহ্ন মুছছে যুবদল: জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে ১৯পরিবার পেল নতুন ঘর। রাজিব আহসানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ৩২০ পরিবারকে ঈদ উপহার দিলেন সোহাগ। ঈদের আগেই হাসি ফুটল ৩২৫ পরিবারের মুখে মেহেন্দিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ।
সংবাদ শিরনাম :
কাজিরহাটে ৩০ বছর ধরে বেহাল রাস্তা, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ। মেহেন্দিগঞ্জ হাসপাতালের সেবার মান বাড়াতে কঠোর বার্তা প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের – অব্যবস্থাপনা মানা হবে না। মেহেন্দিগঞ্জ থানা বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মনোনীত! মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলায় অবদানের জন্য ওসি মমিন উদ্দিনকে ক্রেস্ট প্রদান। মেহেন্দিগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। হিজলায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী হামলা, নারীসহ আহত ৩ লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত সোহেলের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার চেক দিলেন নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। মেহেন্দিগঞ্জে স্কুল মাঠ থেকে ১৫ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার। মেহেন্দিগঞ্জে কালবৈশাখীর ক্ষত চিহ্ন মুছছে যুবদল: জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে ১৯পরিবার পেল নতুন ঘর। রাজিব আহসানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ৩২০ পরিবারকে ঈদ উপহার দিলেন সোহাগ। ঈদের আগেই হাসি ফুটল ৩২৫ পরিবারের মুখে মেহেন্দিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ।

অনুমতি ছাড়াই চলে নমুনা পরীক্ষা করোনা কেলেঙ্কারিতে শিশু হাসপাতাল

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৩ মে, ২০২১
  • ৩৫০ ০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

কোভিড-১৯-এর নমুনা পরীক্ষা কেলেঙ্কারির সঙ্গে শিশু হাসপাতালও জড়িয়ে পড়েছে। তাদের নাম ভাঙিয়ে স্বাস্থ্যসেবা খাতের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অন্য জায়গা থেকে নমুনা পরীক্ষা করাচ্ছে। এর সঙ্গে জড়িত শিশু হাসপাতালের দুই কর্মকর্তা। তাদের সহায়তায় পরিচালকের অনুমতি ছাড়াই গত বছরের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে এ কার্যক্রম।

বেসরকারি এ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রতিটি নমুনা পরীক্ষার জন্য রোগীদের কাছ থেকে নিয়েছে ৫ হাজার টাকা। তারা এগুলো পরীক্ষার জন্য শিশু হাসপাতালের নামে (রেফারেন্সসহ) পাঠাত চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনে। সেখানে প্রতিটি নমুনার জন্য সাড়ে তিন হাজার টাকা পরিশোধ করে। শিশু হাসপাতালের দুজন কর্মী এ কাজের জন্য টাকা লেনদেনসহ নমুনা সংগ্রহ সংক্রান্ত সরঞ্জাম সরবরাহ করে, যাদের এ সংক্রান্ত কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। শিশু হাসপাতাল গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ জানুয়ারি বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করে শিশুহাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কমিটি ইতোমধ্যেই তাদের প্রতিবেদন পেশ করেছে। এর আগে তদন্ত কমিটি ১ জানুয়ারি থেকে অভিযুক্ত ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া শুরু করে। সবার বক্তব্য বিশ্লেষণ করে হাসপাতালের দুজন কর্মচারীকে দায়ী বলে মনে করে কমিটি। যার মধ্যে একজন হাসপাতালের এপিডেমিওলজিস্ট কিংকর ঘোষ এবং অপরজন জুনিয়র অফিসার অ্যাডমিন মো. আতিকুল ইসলাম। কমিটি মনে করে, এ দুজনের জন্য হাসপাতালের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। যার দায় তারা এড়াতে পারেন না। এর আগে জেকেজি, রিজেন্টসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠান কোভিড-১৯ পরীক্ষার নামে অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা শিশু হাসপাতালের পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. শহিদুল্লা যুগান্তরকে বলেন, তদন্তের কাজ এখনো পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি। সব কাজ সম্পন্ন হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের আইন অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি।

সামগ্রিক বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ সফি আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন ইতোমধ্যে গৃহীত হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত বক্তব্য চূড়ান্ত যাচাইয়ের জন্য হাসপাতালের পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ও সরকারের যুগ্ম সচিব উম্মে সালমা তানজিয়ার কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি সবকিছু যাচাই-বাছাই করে মতামত দেবেন। সেই মতামতের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তদন্ত কমিটির রিপোর্টে যা আছে : পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি প্রথমেই তাদের সামনে হাজির করেন হাসপাতালের জুনিয়র অফিসার অ্যাডমিন মো. আতিকুল ইসলামকে। কমিটিকে বলেন, তিনি পদ্মা জেনারেল হাসপাতালেও খণ্ডকালীন কাজ করেন। শিশু হাসপাতালের পাশাপাশি সেখানে তিনি কম্পিউটার অপারেটর হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। পদ্মা জেনারেল হাসপাতালের কিছু কোভিড-১৯ পরীক্ষা শিশু হাসপাতালের নামে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনে করা হতো। এসব পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ, পরিবহণ এবং ডেলিভারিসংক্রান্ত কাজের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন। তবে হাসপাতালের এপিডেমিওলজিস্ট কিংকর ঘোষ এ বিষয়ে জাড়িত থাকতে পারেন। পদ্মা জেনারেল হাসপাতালের টাকা লেনদেনের রসিদে টাকা গ্রহণকারী হিসাবে তার নাম ও স্বাক্ষর থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তদন্ত কমিটিকে জানান, তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। তবে তার প্রতিস্বাক্ষর নিয়ে তদন্ত কমিটি ওই রসিদের সঙ্গে হুবহু মিল পায়। তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

তদন্ত কমিটি এ বিষয়ে জানতে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট সুজন বাবু, নারায়ণ চন্দ্র বর্মণ ও কংকন রায়ের বক্তব্য নেয়। তারা জানান, হাসপাতালে এপিডেমিউলজিস্ট কিংকর ঘোষের নির্দেশে তারা অন্তঃবিভাগ ও বহির্বিভাগে নমুনা সংগ্রহ করতেন। কমিটিকে তারা জানান, কিংকর প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫টি টিউব নমুনা সংগ্রহের জন্য সরবরাহ করতেন। তবে দু-একটি টিউব নিজের কাছে রেখে দিতেন।

এসব বিষয়ে তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হয়ে বক্তব্য দেন কিংকর। তিনি বলেন, হাসপাতালের পরিচালকের মৌখিক নির্দেশে তিনি ২০২০ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে শিশু হাসপাতালের রোগী, অভিভাবক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের কোভিড-১৯-এর পরীক্ষার ব্যবস্থা করতেন। হাসপাতালের বাইরের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার ক্ষেত্রেও পরিচালককে জানাতেন। পদ্মা জেনারেল হাসপাতালের বিষয়ে তিনি বলেন, একজন সংসদ সদস্যের নির্দেশে তিনি এই কাজ সমন্বয় করতেন। প্রতিদিন দু-একটি নমুনা সংগ্রহের টিউব তিনি নিজের কাছে রাখতেন কিনা জানতে চাইলে কমিটিকে বলেন, এটা কোনো বিষয় নয়- এমন টিউব তার কাছে অনেক আছে। অন্যান্য হাসপাতালের নমুনা নিজ নিজ হাসপাতাল থেকে রেফার্ড হয়ে এলেও পদ্মা জেনারেল হাসপাতালের নমুনা শিশু হাসপাতালের নামে কেন রেফার্ড করা হতো জানতে চাইলে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

তদন্ত কমিটি এ বিষয়ে জানতে সাবেক উপ-পরিচালক ডা. এজেডএম মশিউল আযমের বক্তব্য নেয়। কারণ ২৩ মে, শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক সার্কুলারে জানায়, শুধু ভর্তি রোগী এবং ফিভার ক্লিনিকের রোগী ছাড়া অন্য রোগীদের নমুনা নিতে হলে উপ-পরিচালকের অনুমতি নিতে হয়। তবে এ উপপরিচালক জানান, হাসপাতালের বাইরের নমুনা সংগ্রহের বিষয়ে তার কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। কোভিড-১৯ পরীক্ষার কোনো দায়িত্ব তিনি কিংকর ঘোষকে দেননি। এমনকি পদ্মা জেনারেল হাসপাতাল বা অন্য কোনো হাসপাতালের পরীক্ষা শিশু হাসপাতালের নামে রেফার্ড হওয়ার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

একই বিষয়ে তদন্ত কমিটি বর্তমান উপ-পরিচালক ডা. প্রবীর কুমার সরকারের বক্তব্য নেন। তিনি জানান, এসব বিষয়ে তার কাছ থেকে কখনোই কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। এমনকি হাসপাতালের বাইরের

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ

পুরাতন সংবাদ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।     Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.  
Theme Customized By BreakingNews