
দাবিগুলো হল –
১. ডিজেলচালিত ষ্টিকার লাগিয়ে বাড়তি ভাড়া আদায়ের সাথে সাথে বিআরটিএ প্রণীত বাস ভাড়ার তালিকা বাসে বাসে স্থায়ীভাবে লাগানোর ব্যবস্থা করা।
২. মালিকদের নির্দেশে ইচ্ছেমত ভাড়া আদায় বন্ধ করে সরকার নির্ধারিত ভাড়া আদায়ের বিষয় নিশ্চিত করা।
৩. অন্যায়ভাবে কোন যাত্রীকে যাতে কোনভাবে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের নৈরাজ্যের মাধ্যমে অপমান অপদস্থ হতে না হয়, তার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করা।
৪. ওয়েবিলে যাত্রী গুণে ভাড়া আদায়ের নামে সিটিং সার্ভিসের নামে ভাড়া-ডাকাতি বন্ধে শুধু মৌখিক ঘোষণা নয়, কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
৫. সির্টিং সার্ভিসে বাস চালালেও ভাড়া নির্ধারণের শর্তানুযায়ী ৭০ শতাংশ গড় বোঝাই যাত্রী নিয়ে সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় বাস চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। ছাত্র-ছাত্রীদের হাফ ভাড়া নিশ্চিত করতে হবে। আর সিটিং সার্ভিস বিহীন বাসে দাঁড়ানো যাত্রীদের হাফ ভাড়া নিতে হবে।
৬. ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ডিজেলচালিত বাস-মিনিবাসের ভাড়া বৃদ্ধির সুযোগে সিএনজিচালিত বাস-মিনিবাসের পাশাপাশি হিউম্যান হলার, লেগুনা, টেম্পু, অটোরিক্সায় যে হারে ভাড়া নৈরাজ্য তা বন্ধের কার্যেকর উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে।
৭. যাত্রী প্রতিনিধি ছাড়া মালিক-সরকার মিলে একচেটিয়াভাবে বাড়ানো ভাড়া বাতিল করে একটি ন্যায্য ও গ্রহনযোগ্য ভাড়া নির্ধারণ করা।
৮. ঢাকা-চট্টগ্রাম মহানগরীতে ৫৫ শতাংশ যাত্রী ৩ কিলোমিটারের কম দুরত্বে যাতায়াত করে। তাই সিটি সার্ভিসে সর্বনিম্ন বাস ভাড়া ০২ কিলোমিটার পর্যন্ত ০৫ টাকা নির্ধারণ করে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর জন্য আলাদা আলাদা ভাড়া পুণঃনির্ধারণ করতে হবে।
৯. ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে বিআরটিএর প্রতীকি অভিযান বন্ধ করে সংশ্লিষ্ট কোম্পানীর বিরূদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা। যেমন- রজনীগন্ধ্যা বা মনজিল পরিবহনে কোন বাসে ভাড়ার তালিকা না থাকলে বা বেশি ভাড়া নেয়া হলে ঐ কোম্পানীর এমডি/ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হলে ঐ কোম্পানীর সকল বাস নিয়ম-নীতির মধ্যে আসতে বাধ্য হবে।
১০. দুরপাল্লার রুটে ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে কিলোমিটার চুরি ও ভাড়ার তালিকা জালিয়াতি বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।
১১. ভাড়া নির্ধারণের শর্ত লংঘন করে দৈনিক চুক্তিতে চালক-হেলপারের কাছে বাস ইজারা দেওয়া সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হবে।
১২. গণপরিবহনে চাদাঁবাজী, পুলিশের হয়রানী বন্ধ করতে হবে।
১৩. কথায় কথায় যে কোন ঠুনকো অজুহাতে গণপরিবহন বন্ধ করে দিয়ে যাত্রীদের জিম্মি করার মতো আইন বিরোধী কর্মকা- বন্ধ করতে হবে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এসময় আরো বক্তব্য রাখেন- বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ, মানবধিকার সংগঠক নুর খান লিটন, বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আবু জাফর সূর্য, সংগঠনের উপদেষ্টা শরীফুজ্জামান শরীফ, সহ-সভাপতি তাওহিদুল হক লিটন প্রমুখ।
Leave a Reply