
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র হুমায়ূন কবির লাবিবকে হত্যার চেষ্টা । ১নং রায়পাশা ইউনিয়নের দক্ষিণ কড়াপুড়ে গত ৮ই সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টার দিকে দক্ষিণ কড়াপুর ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ শহিদের ছেলে তানজিম ফুটবল খেলার কথা বলে পাশের বাড়ির হুমায়ূন কবির লাবিবকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তারা ৫নং মধ্য কড়াপুর সরকারী প্রাথমিক বিদল্যায়ের মাঠে খেলতে ছিল। হঠাৎ তানজিমের বাবা মোঃ শহিদ সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে দাওয়া করলে দুইজনই খুব আতংকিত অবস্থায় পালাতে চেষ্টা করে এবং হুমায়ুন কবির লাবিব গেটের বাইরে আসতেই তাকে কিছু বুঝে উঠার আগেই তার ঘাড়ে ধরে বাউন্ডারী দেওয়ালে আছাড় দেয় এবং এলোপাতারি লাথি, কিল, ঘুষি মেরে রক্তাত্ত করে। এবং হুমায়ুন কবির লাবিব কোন মতে ছুটে পালাতে চেষ্টা করলে মোঃ শহিদ আবার তাকে ধরে ফেলে আবারো তাকে মাথার চুল ধরে মাটির সাথে আঘাত করে এবং তার পায়ের নিচে পড়ে থাকা ইটের খোয়ার সাথে পাড়া দিয়ে চেপে ধরে এবং বলতে থাকে আর খেলবি কিনা? আমার ছেলে সাথে মিশবি কিনা?। এরপর হুমায়ুন কবির লাবিব আবারো দৌঁড়ে পালাতে চাইলে মোঃ শহিদ পরেথাকা ফুটবল উঠিয়ে তার পিঠে স্ব-জরে মেরে দেয় এতে হুমায়ুন কবির লাবিব আবার মাটিতে লুটিয়ে পড়ে, অচেতন হয়ে পড়ে। রাস্তার পথচারীরা লাবিবকে বাড়িতে নিয়ে যায় এবং লাবিব বাড়িতে যাওয়ার পর ভিষণভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। এরপর লাবিবকে এলাকার মুরুব্বিদের পরামর্শ অনুযায়ী শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপালের উদ্দেশ্যে রওনা হলে মোঃ শহিদের পিতা গবিন্দ শাহজাহান সাহেব বাধা দেয়ার চেষ্টা করে এবং অশ্রীল ভাষায় গালাগালি করে। সে বলতে থাকে যে, তোরা হাসপাতালে গেলে- মামলা করলে- তোদেরকে এলাকাতেই থাকতে দিবো না এবং চিকিৎসা শেষে বাড়িতে ফিরে আসলে সে হুমায়ুন কবির লাবিবকে আবারো মামার হুমকি দেয় এবং তার পরিবারকেও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এতে হুমায়ুন কবির লাবিবের পরিবার আতংকের মুখে পড়ে যায় এবং বাধ্য হয়ে আইনের আশ্রয় নেয়।
Leave a Reply