ভারত ফেরত ১০ রোগী ভর্তি চমেকে : হাসপাতাল এলাকা জুড়ে আতঙ্ক
আপডেট সময় :
শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১
৪৭০
০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে
এম মনির চৌধুরী রানা //
ভারত থেকে চিকিৎসা নিয়ে ফিরে আসা ১০ জন রোগী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
আজ শুক্রবার ৭মে ভোর রাত ৩টার দিকে তাদের হাসপাতালের ২ ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চমেক হাসপাতালে দায়িত্বরত এক পুলিশ কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, চিকিৎসা শেষে গত ৪ মে ভারত থেকে বেশ কয়েকজন রোগী বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আসেন। এদের সবাইকে সরকার যার যার জেলা হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে নির্দেশনা দেন। তারই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামের ১০ জন চমেক হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইন পালন করতে আসেন।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এদের মধ্যে ৭ জনকে ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কেবিনে ভর্তি করা হয়। বাকি ৩ জন অসুস্থ হওয়ায় তাদের ১৬ নম্বর মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থ হয়ে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তিকৃত রোগীরা হলেন চট্টগ্রামের চন্দানাইশ উপজেলার বাসিন্দা ইলিয়াছের ছেলে জাকারিয়া (৩২), ফটিকছড়ি উপজেলার বাসিন্দা ইউসুফের মেয়ে রহিমা বেগম (৪৮) ও কর্ণফুলী উপজেলার বাসিন্দা ইকবাল আহমেদের স্ত্রী পারভিন আক্তার (৪০)।
একই সময়ে হাসপাতালের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে কোয়ারেন্টাইনে ভর্তি হওয়া রোগীরা হলেন পটিয়ার উপজেলায় বাসিন্দার ফজল করিমের ছেলে রেজাউল করিম রাজু (২২), চন্দনাইশ উপজেলায় বাসিন্দার ইউসুফের মেয়ে হাসমত আরা বেগম (৫০), একই উপজেলার বাসিন্দা ফজল কাদেরের মেয়ে আয়শা সুলতানা (২৬), ফটিকছড়ি উপজেলায় বাসিন্দা ইউসুফের ছেলে ইকবাল হোসেন (২৪), একই উপজেলার বাসিন্দার জহুরের ছেলে রমজান আলী (২১), কর্ণফুলী থানার বাসিন্দা মৃত রশিদ আলীর ছেলে আনিছুর রহমান ও একই উপজেলার বাসিন্দা ইকবাল আহমেদের মেয়ে ফাহমিদা ইয়াসমিন (২০)।
এদিকে ভারত ফেরত এসব রোগী ভর্তি হওয়ায় পুরো হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম জুড়ে এলাকায় একধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, কয়েকদিন আগে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ইউনিভার্সিটি (সিভাসু) উপাচার্যের নেতৃত্বে একদল শিক্ষক চট্টগ্রামের করোনাভাইরাসের ধরন নিয়ে পরীক্ষা করেন।
এসব পরীক্ষায় যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ভারতের করোনাভাইরাসের ধরন মিলছে। কিন্তু ভারতীয় কোনো ধরন নমুনা পরীক্ষায় পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে চট্টগ্রামবাসী একটু স্বস্তিও পেয়েছিল। তবে এবার ভারতীয় ধরন ছড়ানোর ভয় চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে কাজ করছে।
সিভাসু উপাচার্য ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ বলেন, চট্টগ্রামে পাওয়া ৩ দেশের চেয়ে ভারতীয় করোনার ধরন কয়েকগুণ শক্তিশালী। তাই আমাদের ভারতীয় ধরন প্রবেশের বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.
Leave a Reply