টাকার বিনিময়ে হিজলা উপজেলার ভোটার হলেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব।।
-
আপডেট সময় :
রবিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২১
-
৬৮৬
০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
শুধুমাত্র টাকার বিনিময়ে হিজলা উপজেলার ভোটার হয়েও বাগিয়ে নিয়েছেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সদস্য সচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদবী। এমনটাই অভিযোগ উঠেছে নবগঠিত মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান ওরফে মাসুদ রানার বিরুদ্ধে।
জানা যায় গত ১২/১২/২০২১ ইং তারিখে বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্যাডে সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিপন ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জনির স্বাক্ষরিত মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটি তে সদস্য সচিব পদে মাসুদুর রহমান কে সদস্য সচিব হিসেবে দেখা যায়। মাসুদের ভোটার এলাকা হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের পালপাড়া নামক গ্রামে অবস্থিত। মাসুদের পিতা জালাল আহম্মদ ও মাতা সামসুন নাহার। এবং তাহার ভোটার নং ০৬১৫৯২৮৯১৪০২। নির্বাচন কমিশন কতৃক (১৬/১১/২০২১) ইং তারিখে প্রকাশিত ভোটার তালিকায় যাহার প্রমান মিলে। বিষয়টি নিশ্চিতে হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জসিম উদ্দিনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি মাসুদের পরিচয় নিশ্চিত করে জানান, মাসুদসহ তার পুরো পরিবার তার এলাকার ভোটার।
ইতিপূর্বে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর ইউনিট কমিটি গঠন নিয়ে নানাবিধ অনিয়মের খবর বরিশালের দৈনিক দেশ জনপদ, দৈনিক শাহানামা, দৈনিক বাংলার বনে সহ বিভিন্ন পত্রিকার শিরোনাম হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভাগীয় টীমের সদস্য মুকুল, ফরিদ, জুয়েলসহ বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি লিপন ও সাধারণ সম্পাদক জনির বিরুদ্ধে নগদ অর্থ সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ উৎকোচ গ্রহণের বিষয়ে অভিযোগ করেন সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী যাহা গত ১৪/১২/২০২১ ইং তারিখে দৈনিক দেশ জনপদ ও ১৫/১২/২০২১ ইং তারিখে দৈনিক শাহানামা ও দৈনিক বাংলার বনে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
অনিয়মের আরেকটি প্রমাণ মিলে হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের ভোটার হয়েও মেহেন্দিগঞ্জে মাসুদকে সদস্য সচিব পদ দেয়ার মাধ্যমে।
শুধু মাসুদুর রহমান ই নয়, মেহেন্দিগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটির আহবায়ক হিসেবে যার নাম দেখা যায় তিনি ছাত্রজীবনে জাতীয় পার্টির ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রসমাজের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন যাহা তৎকালীন স্থানীয় ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে জানা যায়।
এ প্রসঙ্গে জানতে সংগঠনটির জেলার সভাপতি লিপন ও সাধারণ সম্পাদক জনি মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তারা রিসিভ করেননি। তবে বিভাগীয় টীমের সদস্য মুকুল জানান, ঘটনার সত্যতা পেলে তারা সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
Like this:
Like Loading...
নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
Leave a Reply