1. mdshuvo11167@gmail.com : admin :
  2. mehendiganjtimes20@gmail.com : Faisal Howlader : Faisal Howlader
  3. mehendiganjtimes2020@gmail.com : Mehendiganj Times : Mehendiganj Times
খোকা থেকে বঙ্গবন্ধু। - মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস ।। Mehendiganj Times
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
মেহেন্দিগঞ্জে ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ১৩টি গাজা গাছসহ কুখ্যাত মাদক ডিলার শামিম রাড়ী গ্রেপ্তার। ছয় মাস আগে এসেছিলেন ঝড়ের পূর্বাভাস নিয়ে। যাওয়ার সময় রেখে গেলেন শান্তির সুবাতাস। মেহেন্দিগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চলছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। মেহেন্দিগঞ্জে জ্বালানি তেল সংকট নিরসনে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে স্বস্তি। আত্মীয়ের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিলেন ৬৬০ লিটার: মেহেন্দিগঞ্জে অতিরিক্ত দামে তেল বেচায় ব্যবসায়ীর ৩০ হাজার টাকা জরিমানা। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: মেহেন্দিগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেফতার ৫, আতঙ্কে গা-ঢাকা দিচ্ছে কারবারিরা। মেহেন্দিগঞ্জে জেলে কার্ডের চাল বিতরণে বিলম্ব ও অব্যবস্থাপনা, জেলেদের ক্ষোভ চরমে। মেহেন্দিগঞ্জে কৃষকদের মাঝে আধুনিক প্রযুক্তি বিতরণ ও বিনামূল্যে সার, বীজ বিতরণ। প্রতিমন্ত্রী’র নির্দেশনায় মেহেন্দিগঞ্জের বিভিন্ন খেয়াঘাটের ভাড়া কমলো, প্রশংসায় ভাসছেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। মেহেন্দিগঞ্জে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।
সংবাদ শিরনাম :
মেহেন্দিগঞ্জে ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ১৩টি গাজা গাছসহ কুখ্যাত মাদক ডিলার শামিম রাড়ী গ্রেপ্তার। ছয় মাস আগে এসেছিলেন ঝড়ের পূর্বাভাস নিয়ে। যাওয়ার সময় রেখে গেলেন শান্তির সুবাতাস। মেহেন্দিগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চলছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। মেহেন্দিগঞ্জে জ্বালানি তেল সংকট নিরসনে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে স্বস্তি। আত্মীয়ের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিলেন ৬৬০ লিটার: মেহেন্দিগঞ্জে অতিরিক্ত দামে তেল বেচায় ব্যবসায়ীর ৩০ হাজার টাকা জরিমানা। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: মেহেন্দিগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেফতার ৫, আতঙ্কে গা-ঢাকা দিচ্ছে কারবারিরা। মেহেন্দিগঞ্জে জেলে কার্ডের চাল বিতরণে বিলম্ব ও অব্যবস্থাপনা, জেলেদের ক্ষোভ চরমে। মেহেন্দিগঞ্জে কৃষকদের মাঝে আধুনিক প্রযুক্তি বিতরণ ও বিনামূল্যে সার, বীজ বিতরণ। প্রতিমন্ত্রী’র নির্দেশনায় মেহেন্দিগঞ্জের বিভিন্ন খেয়াঘাটের ভাড়া কমলো, প্রশংসায় ভাসছেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। মেহেন্দিগঞ্জে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

খোকা থেকে বঙ্গবন্ধু।

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৪২ ০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

এম মনির চৌধুরী রানা

“যতকাল রবে পদ্মা যমুনা,
গৌরী মেঘনা বহমান।
ততকাল রবে কীর্তি তোমার
শেখ মুজিবুর রহমান।” — কবি অন্নদাশঙ্কর রায় (১৯০৪-২০০২)

পৃথিবীতে যত মহান ব্যক্তিত্ব রয়েছে তাদের তালিকায় বঙ্গবন্ধুর নাম রয়েছে প্রথম কাতারে। তার অসামান্য নেতৃত্বের দক্ষতার মাধ্যমে তিনি দেশের সর্বস্তরের জনগনকে ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছিলেন স্বাধীনতা যুদ্ধ অনুপ্রাণিত করতে। এবং দেশ স্বাধীন করার জন্য জীবন বাজি রেখে লড়ে গিয়েছেন শত্রুদের বিরুদ্ধে। ছিনিয়ে এনেছেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং আমাদের উপহার দিয়েছেন একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের । আমরা পেয়েছি একটি নতুন পতাকা, নতুন মানচিত্র এবং স্বাধীনতার স্বাদ।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান ও মাতা সায়েরা খাতুন। দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি ছিলেনপিতা মাতার তৃতীয় সন্তান। সবাই আদর করে খোকা বলে ডাকতেন।

১৯২৭ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বয়স ৭ বছর তখন তাকে স্থানীয় গিমাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। তাপর ৯ বছর বয়সে ১৯২৯ সালে গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে ভর্তি করা হয়। পরে তিনি মিশনারি স্কুলে ভর্তি হন। কিন্তু ১৯৩৪ সালে তিনি বেরিবেরি রোগে আক্রান্ত হলে ৪ বছর তাঁর পড়ালেখা বন্ধ থাকে। ১৯৪২ সালে তিনি মিশনারি স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন। পরে তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে ভর্তি হন। কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে ১৯৪৪ সালে আইএ পাশ করেন। এছাড়া কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাশ করেন। পরে তিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন। এখানে থাকাকালীন সময়ে চতুর্থ ও কর্মচারীদের আন্দোলনে যোগদানের কারণে তাঁর ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়। ফলে তাঁর ছাত্রজীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে।

বিশ্ব রাজনীতির অবিসংবাদিত নেতা বাংলা ও বাঙালি জাতির অমর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজনৈতিক জীবন শুরু করার আগে থেকেই গ্রামের মানুষের দুঃখ দেখে নিজের ভিতর এক প্রকার কষ্ট অনুভব করতেন। ক্ষুধার্তদের মুখে নিজের খাবার তুলে দিয়েছেন। শীত আসলেই শীতার্তদের নিজের চাদর দিয়ে সাহায্য করতেন। তখন থেকেই তিনি ন্যায়ের কথা বলতেন। অন্যায় বা অন্যায়কারী যত শক্তিশালী হোকনা কেন তার প্রতিবাদ করতে তিনি বিন্দু মাত্র ভয় পেতেন না। তাঁর একটাই স্বপ্ন ছিল বাঙালি জাতিকে মুক্ত করা।

ছাত্র অবস্থাতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের সুত্রপাত ঘটে। আর তার রাজনৈতিক জীবনে রয়েছে বিশেষ বিশেষ অবদান।

১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন আইন পরিষদে ঘোষণা করে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা হবে উর্দু। ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানান। সে জন্য তাকে ১১ই মার্চ গ্রেফতার করা হয়। তারপর ১৯৫২ সালের ২৬শে জানুয়ারি খাজা নাজিমুদ্দিন আবারও ঘোষণা করে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু। ২১শে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ছাত্রজনতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ঢাকার রাজপথে আন্দোলনে নামলে পুলিশ গুলি চালায়। ফলে সালাম, জব্বার, রফিক, বরকত, শফিয়ুর সহ আরও অনেকে শহীদ হন। শেখ মুজিবুর রহমান জেলে বসে সেই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তারপর ২৬ ফেব্রুয়ারি জেলখানা থেকে তিনি মুক্তি লাভ করেন।

১৯৬৬ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি দিয়ে ও অন্যান্য ৩৫ জন সেনা ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আগরতলা মামলা দায়ের করে। পরে ১৯ জুন আগরতলা মামলার বিচারকার্য ঢাকা সেনানিবাসে করা হয়।

১৯৬৯ সালের ৫ জানুয়ারি ৬ দফাসহ ১১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে `কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। এই পরিষদ আগরতলা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তুলে। এ পর্যায়ে এ আন্দোলন গণ অভ্যুত্থানের রূপ নিলে ২২ ফেব্রুয়ারি সরকার আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিনা শর্তে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। পরের দিন ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আয়োজিত এক সংবর্ধনা সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

১৯৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পূর্ব বাংলার জাতীয় পরিষদের ১৬২টি আসনের মধ্যে ১৬০টি এবং প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও পাকিস্তান সরকার নির্বাচিত প্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে নানা তালবাহানা শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চ রেসকোর্সময়দানে সর্ববৃহৎ জনসভায় দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেন,

“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।”

২০১৭ সালে তাঁর এই ১৮ মিনিটের ভাষণকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের সংস্কৃতি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অপারেশন সার্চ লাইট নামে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর হামলা চালায়। এমতাবস্থায় ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। শুরু হয় মুক্তি সংগ্রাম। দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা। পরে পাকিস্তান সরকার বন্ধুবন্ধুকে মুক্ত করে দেশে পাঠিয়ে দেয়।

যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের দায়িত্ব ভার গ্রহণের পর বঙ্গবন্ধুর সামনে জাতি গঠনের আরেক যুদ্ধ এসে দাঁড়ায়। তিনি ১৬৫০০০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি সরকারিকরণ করেন। এছাড়া তিনি প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য চাল, ডাল ও রেশনের ব্যবস্থা করেন। মুক্তিযোদ্ধাদের পূনর্বাসনের জন্য মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেন। ২৫ বিঘা জমির খাজনা মওকুফ করেন। সমস্ত বিধ্বস্ত কলকারখানা, রাস্তা, ব্রিজ ইত্যাদির পূর্ণনিমান ও মেরামত করেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ

পুরাতন সংবাদ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।     Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.  
Theme Customized By BreakingNews