1. mdshuvo11167@gmail.com : admin :
  2. faysal.rakib2020@gmail.com : Rakibul Hasan : Rakibul Hasan
  3. labpoint2017@gmail.com : Faisal Howlader : Faisal Howlader
  4. mehendiganjtimes2020@gmail.com : Mehendiganj Times : Mehendiganj Times
কতযুগ পরে কুয়াকাটা বেড়ীবাঁধ সড়কের সংস্করণ করা হবে? লাগামহীন অনিয়ম নয় কি! - মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস ।। Mehendiganj Times
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন
নোটিশ :
মেহেন্দিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন! কাজিরহাট থানা প্রেসক্লাবের উদ্বেগে ইফতার ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নৌপথে নিরাপদ যাত্রার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। মেহেন্দিগঞ্জে ‘সম্মিলিত সাংবাদিক জোট’-এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন। কাজিরহাট গ্রাম পুলিশ জাফর ফকিরের ছেলে সহ মোট দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। মেহেন্দিগঞ্জে ডিএমসি’র উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ। প্রশংসায় তরুণরা। মেহেন্দিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন ওসি, অভিযানে ৬জন আটক। মেহেন্দিগঞ্জে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি। মেহেন্দিগঞ্জে পুলিশ সদস্যে মোঃ আলমগীর হোসেন এর রাজকীয় বিদায়। মেহেন্দিগঞ্জে জাতীয় পাটি’র কমিটি বিলুপ্ত করে সহস্রাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগদান করলেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃ মিজানুর রহমান।
সংবাদ শিরনাম :
মেহেন্দিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন! কাজিরহাট থানা প্রেসক্লাবের উদ্বেগে ইফতার ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নৌপথে নিরাপদ যাত্রার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। মেহেন্দিগঞ্জে ‘সম্মিলিত সাংবাদিক জোট’-এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন। কাজিরহাট গ্রাম পুলিশ জাফর ফকিরের ছেলে সহ মোট দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। মেহেন্দিগঞ্জে ডিএমসি’র উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ। প্রশংসায় তরুণরা। মেহেন্দিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন ওসি, অভিযানে ৬জন আটক। মেহেন্দিগঞ্জে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি। মেহেন্দিগঞ্জে পুলিশ সদস্যে মোঃ আলমগীর হোসেন এর রাজকীয় বিদায়। মেহেন্দিগঞ্জে জাতীয় পাটি’র কমিটি বিলুপ্ত করে সহস্রাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগদান করলেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃ মিজানুর রহমান।

কতযুগ পরে কুয়াকাটা বেড়ীবাঁধ সড়কের সংস্করণ করা হবে? লাগামহীন অনিয়ম নয় কি!

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৪ মার্চ, ২০২২
  • ২৫০ ০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

আব্দুল কাইয়ুম (আরজু), কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)\

দীর্ঘ যুগ অতিক্রম হলেও সংস্করণ হয়নি পর্যটন কেন্দ্রের বিশেষ আকর্ষণটুকু বেড়ীবাঁধ সড়কের! ৫কিলোমিটার সৈকতে নেই দৃশ্যমান কোনো বনাঞ্চল।

কুয়াকাটা পৌরসভা গঠনের একযুগ অতিক্রম হলেও বেড়ীবাঁধ সড়কের সংস্করণের কোনো উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্টদের! পর্যটকরা এবং স্থানীয়রা বিপত্তির চরমে দীর্ঘযুগে! দায়িত্বশীলদের চোঁখ কি অন্ধ বনে গেছেন?

কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টের বেড়িবাঁধ প্রায় সমুদ্র গর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। বর্ষাকালে কুয়াকাটা আগত পর্যটকদের সৈকতে নামতে ভোগান্তি পোহাতে হয় জিরো পয়েন্ট এলাকায়। জিরো পয়েন্ট হতে সৈকতের পূর্বে ট্যুরিজম পার্কের দুই পাশে সৈকতে প্রবেশের দুটি রাস্তা থাকলেও এ ঋতুতে সৈকতে পর্যটকরা অবলোকন করতে পারবে না তীরের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এবং চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যাবে সম্প্রতি ঋতুর ঘনঘটায়। যদিও রাস্তা দু’টি প্রবেশ উপযোগী হয়ও তবে বেড়ীবাঁধ সড়কের বেহাল খানাখন্দে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী রয়েছে, যেখানে ভোগান্তিতে রয়েছে দীর্ঘ বছর; অতিক্রম হলেও সড়কের মধ্যে বিশেষ একসাথে দুটি যানচলাচল করতে দ্রুততম সময়ে অন্যতম প্রয়োজন হয়ে দাড়িয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এমন পর্যটনকেন্দ্রের মান বজায়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে কুয়াকাটা মুখ ফিরিয়ে নেওয়া পর্যটকদের কুয়াকাটা ভ্রমণের জন্য উৎসাহী করনে যথাযথ ব্যবস্থা গৃহীত হলে বৃদ্ধি পাবে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।

সৈকতের পূর্বে জাতীয় উদ্যান এলাকা সমুদ্রের ঢেউয়ের কবল থেকে এই বছরও রেহাই পেলেও আগামী ঋতুতে জ্যিও ব্যাগ স্থাপনের মাধ্যমে সৈকতের বালুক্ষয় রোধ করা না হলে গিলে খাবে বনাঞ্চলের অবশিষ্টাংশ।

কুয়াকাটার লেম্বুরচড় (আন্ধারমানিক মোহনা) হতে সংরক্ষিত কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যানের লাগোয়া ফটক পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটারের মধ্যে নেই দৃশ্যমান কোনো সংরক্ষিত বনাঞ্চল।

কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট হতে আশেপাশে দুই কিলোমিটার বেড়ীবাঁধ সড়কে পর্যটক ও স্থানীয়রা যাতায়াতের ভোগান্তিতে রয়েছে – দীর্ঘ যুগ অতিক্রম হলেও সংস্করণ হয়নি সামান্য সড়কের পর্যটন কেন্দ্রের বিশেষ আকর্ষণটুকুর! এমন বিষয়টিতে যে কেউ আশ্চর্য হবেন। অবশ্যই প্রশ্ন জাগতে পারে যে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল তাহলে এগুলো উন্নয়ন এবং সংরক্ষণের জন্য কি কোনো অর্থ বরাদ্দ পাননি এবং সঠিকভাবে তদারকি করেননি?? বর্তমানে বিদ্যমান সৈকতের মনোমুগ্ধকর মনোমুগ্ধকর তীর এবং বেড়িবাঁধের পূর্বে ও পশ্চিমে সড়কের সড়কে যে চিত্র রয়েছে তা থেকে কি এটা ধারণা করা যেতে পারে না? একটি উন্নয়নশীল দেশের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রের এমন বেহাল অবস্থা কখনো কি হওয়ার কথা? আমাদের কি দায়িত্বশীলদের থেকে কখনো আশা করা যায়??

কুয়াকাটা বেড়িবাঁধ সড়কের এলজিইডি ভবনের পূর্বে দের কিলোমিটার মাটির রাস্তাজুড়ে কুয়াকাটা পৌরসভা গঠনের দীর্ঘ একযুগ পরেও অনুন্নয়ণ সংস্করনহীন; এবং অবহেলিত থাকায় দেশী ও বিদেশি পর্যটকরা কুয়াকাটা ভ্রমনের মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।

পর্যটক আরিফুল ইসলাম এবিষয়ে বলেন, আমরা পর্যটকরা কি শুধু কুয়াকাটা সৈকত উপভোগ করতে আসি? আমাদেরতো চলাচলের জন্য উপযোগী পরিবেশে সাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমনে সুন্দর একটি সড়কেরও বিশেষ দরকার যেটি না থাকায় দীর্ঘ যুগের ভোগান্তি আমাদের। আক্ষেপ প্রকাশ করে এই পর্যটক বলেন, কয়েকবার কুয়াকাটা ভ্রমণে আসা হয়েছে, তবে যতবারই আসা হয়েছে ততোবারই পর্যটন কেন্দ্রের প্রতি নেতিবাচক ধারনার সৃষ্টি হয়েছে। কুয়াকাটা পর্যটন শিল্পের বিকাশে মান বজায়ে অনুন্নয়নের ফলপ্রসূ তলানিতে নামলে স্থানীয় অর্থনীতির বিশেষ একটি প্রভাব ফেলবে। এটি অচিরেই স্থানীয় বৃহৎ শ্রেনীর জনভোগান্তিতে রূপ নিবে। যা ইতিমধ্যেই স্থানীয়ভাবে প্রকটভাবে দেখা গেছে নানা সময়ে দুর্যোগ এবং মহামারীতে। পর্যটক স্পটের প্রাণকেন্দ্রে অগোছালো পরিবেশ পর্যটকের বিপত্তি সৃষ্টি হলে পরিবর্তীতে কুয়াকাটা ভ্রমনের আগ্রহ হারাবেই। তাই অতিসত্বর কুয়াকাটাকে ঢেলে সাজাতে হবে। দেশের পর্যটন শিল্পের এবং স্থানীয় অর্থনীতির বিশেষ চাহিদা পূরনের যোগান দিতে সরকারের মানবিক দৃষ্টিকোণ নিপতিত করতে বিনয়ের সঙ্গে আবেদন করেন তিনি।

আগত পর্যটকরা অনেকেই মনে করেন, পর্যটন কেন্দ্রটি এভাবে অবহেলায় পরে থাকলে দেশের অর্থনীতির বিরাট একটি প্রভাব পরবে। যা ইতোমধ্যে সঙ্কটাপন্ন প্রভাব বিস্তার করেছে স্থানীয় অর্থনীতিতে।

বাগেরহাট সদর উপজেলার আগত পর্যটক ফিরোজ হাওলাদার কুয়াকাটা প্রকৃতি বৈচিত্র হাড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে মনে করছেন যেটা প্রাই অসম্ভব হওয়ার মতো। কারন হিসেবে এ পর্যটক দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেন, আমি ১০ বছর পূর্বে সমুদ্র সৈকত যেভাবে দেখেছি ঠিক বর্তমান সৈকতেরও একই চিত্র দেখা গেল। কিন্তু বনাঞ্চলের চিহ্নটুকু পর্যন্ত নেই, গত দশবছরে সমুদ্র গর্ভে বিলীন হয়েছে দৈর্ঘ্য ১৮কিলোমিটারের প্রস্থে এক কিলোমিটারজুরে এবং বর্তমান সৈকতের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে নেই সংরক্ষিত কোনো প্রকৃতির ছিটেফোঁটা। বিষয়টিকে আমি রীতিমতো সমুদ্র সৈকত আশ্চর্যজনকভাবে দেখছি। যেখানে সমুদ্রের জো-য়ের প্রভাবে বালুক্ষয় হয়, সৈকতের তীর বাঁচাতে অবশ্যই এটিকে রোধে যথাসময়ে পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভবপর হতো সংশ্লিষ্ট মহলের।
আমি মনে করি অতীতের কুয়াকাটা সৈকতের চিত্র বর্তমান উপস্থিত না থাকাটা স্থানীয় মহলের অভ্যন্তরীন কারণ হিসেবেও ধারণা করা যেতে পারে; যদিওবা এটি নিশ্চিত নয় বলে প্রকাশ করেন কুয়াকাটা আগাত ঐ পর্যটক।

বছরে বিভিন্ন সময়ে আগাত পর্যটকদের থেকে কুয়াকাটা ভ্রমণ সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছে যে, সঠিক তদারকি, এবং স্থানীয় আমূল পরিবর্তন না আনতে পারলে এক সময় কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমনে আর পর্যটক আসবে না। এতে রাষ্ট্রের বিরাট একটি অর্থনৈতিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং কয়েক হাজার পরিবারের মানুষের কর্মহারা দিন গুনতে হবে। যদিওবা যেখানে দেশের জনসংখ্যার ৫.৩০ হারে বেকারত্ব অবস্থায় রয়েছে। তাই তারা মনে করেন দ্রুত দেশের এই পর্যটন শিল্পটির সৈকতের তীরে বিদ্যমান যে দৃশ্যটুকু রয়েছে তা সমুদ্রের গ্রাস থেকে শেষ রক্ষা করতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া উচিত সরকারের সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের। এমনটাই দাবি করেন পর্যটক এবং স্থানীয়দের মধ্যে সুশীল সমাজ সহ অনেকেই।

স্থানীয় বাসিন্দা হাসান জানিয়েছেন, সৈকত রক্ষায় গতবছর যে সময়ে জ্যিও বাগ স্থাপনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল পরীক্ষামূলক। বর্তমান সৈকত টিকে রয়েছে যে কারনে। তবে বসন্ত ঋতুর চলমান মাসে এ কাজের পদক্ষেপ নেওয়ার উপযুক্ত সময় বলে তিনি জানান।
স্থানীয় এই বাসিন্দা বলেন, বিশেষ করে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের শেষাংশটি রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট মহল এখনই যদি পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে দক্ষিনাঞ্চলের জলবায়ুর প্রভাব ফেলবে কাজের নির্ধারিত সময়ে। সৈকত রক্ষায় জ্যিও ব্যাগ স্থাপনে তরিঘরি করে কাজ করা হলে তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চলমান স্থাপনের কাজ শেষ হওয়ার আগেই বর্ষা মৌসুমে গত বছরের ন্যায় কাজের সমাপ্তি সম্ভব হয়ে উঠবে না। যা মারাত্মক হুমকির মুখে পতিত হবে কুয়াকাটার। সরকার দ্রুতই যথাসময়ের মধ্যে যদি সৈকত রক্ষার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ না নেয় তবে এই বিষয়টির দায় এড়িয়ে যেতে পারবে না সংশ্লিষ্টরা। এটি হবে সমাজপতিদের দায়িত্বহীনতা এবং ব্যার্থতার বহিঃপ্রকাশ। আমাদের জন্য এটি একটি কালো অধ্যায় হবে বলে আক্ষেপ প্রকাশ করে নানামুখী সমস্যা ও সম্ভাবনার দিক তুলে ধরেন ঐ এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।

আব্দুল কাইয়ুম (আরজু)
কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)
তারিখঃ ০২.০৪.২০২২

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ

পুরাতন সংবাদ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।     Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.  
Theme Customized By BreakingNews