ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে হিজলায় আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আনন্দ র্যালী ও আলোচনা সভা।
-
আপডেট সময় :
বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১
-
২৯৬
০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক //
আলোচনা বক্তারা বলেন,দেশের তিন পার্বত্যজেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির জনপদে রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধে ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো আজকের এ-ই দিনে। শান্তিচুক্তিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল মাননীয় মন্ত্রী দক্ষিণ বাংলার বীরপুরুষ আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি। ফলে দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান হয়ে পাহাড়ে সূচিত হয়েছিলো শান্তির পথচলা।
১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের বিধিবিধান ও আইন অনুযায়ী সরকারের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে কয়েক দফা সংলাপের পর পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটি একটি ঐতিহাসিক এবং যুগান্তকারী চুক্তি।
দীর্ঘকাল বিরাজমান সঙ্কট নিরসনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ১৯৯৬ সালে প্রথম বারের মতো পার্বত্য জেলায় দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাধানের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেন।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন হিজলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সম্মানিত সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জননেতা সুলতান মাহমুদ টিপু শিকদার। এসময় উপস্থিত ছিলেন বড়জালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব এনায়েত হোসেন হাওলাদার।
হিজলা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক জনাব আলতাফ মাহমুদ দিপু শিকদার।
গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব তালাৎ মাহমুদ নিপু শিকদার।
হিজলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব সার্জেন্ট অফ হাফিজ মাহমুদ।
হিজলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব আবদুল লতিফ খান।
বড়জালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব আহসান হাবিব হিরোন হাওলাদার।
বড়জালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব মোশাররফ হোসেন তালুকদার।
মেমানিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি
জনাব আবুল খায়ের মৃধা,
গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আবুল হোসেন মাস্টার সহ হিজলা উপজেলা তৃণমূল নেতৃবৃন্দ।
Like this:
Like Loading...
নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
Leave a Reply