1. mdshuvo11167@gmail.com : admin :
  2. faysal.rakib2020@gmail.com : Rakibul Hasan : Rakibul Hasan
  3. labpoint2017@gmail.com : Faisal Howlader : Faisal Howlader
  4. mehendiganjtimes2020@gmail.com : Mehendiganj Times : Mehendiganj Times
অনিশ্চয়তায় সেরামের করোনা টিকা বিকল্প না মিললে সংকট - মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস ।। Mehendiganj Times
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
মেহেন্দিগঞ্জে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল মালিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন। মেহেন্দিগঞ্জে বিএনপির ইফতার মাহফিলে মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর। মেহেন্দিগঞ্জে শতাধিক মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সরকারি খেজুর বিতরণ। মেহেন্দিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন। কাজিরহাট থানা প্রেসক্লাবের উদ্বেগে ইফতার ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নৌপথে নিরাপদ যাত্রার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। মেহেন্দিগঞ্জে ‘সম্মিলিত সাংবাদিক জোট’-এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন। কাজিরহাট গ্রাম পুলিশ জাফর ফকিরের ছেলে সহ মোট দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। মেহেন্দিগঞ্জে ডিএমসি’র উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ। প্রশংসায় তরুণরা। মেহেন্দিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন ওসি, অভিযানে ৬জন আটক।
সংবাদ শিরনাম :
মেহেন্দিগঞ্জে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল মালিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন। মেহেন্দিগঞ্জে বিএনপির ইফতার মাহফিলে মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর। মেহেন্দিগঞ্জে শতাধিক মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সরকারি খেজুর বিতরণ। মেহেন্দিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন। কাজিরহাট থানা প্রেসক্লাবের উদ্বেগে ইফতার ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নৌপথে নিরাপদ যাত্রার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। মেহেন্দিগঞ্জে ‘সম্মিলিত সাংবাদিক জোট’-এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন। কাজিরহাট গ্রাম পুলিশ জাফর ফকিরের ছেলে সহ মোট দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। মেহেন্দিগঞ্জে ডিএমসি’র উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ। প্রশংসায় তরুণরা। মেহেন্দিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন ওসি, অভিযানে ৬জন আটক।

অনিশ্চয়তায় সেরামের করোনা টিকা বিকল্প না মিললে সংকট

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৬৩ ০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক //

করোনাভাইরাস থেকে নিরাপত্তার অন্যতম উপায় দেশের বেশিরভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনা। এজন্য বাংলাদেশ সরকার ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে তিন কোটি ডোজের চুক্তি করে। কিন্তু সেই অনুযায়ী টিকা দিতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। ফলে এই টিকা নিয়ে একরকম অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এখনই যদি বিকল্প ব্যবস্থায় টিকার সংস্থান করা না-হয়, তাহলে করোনা নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে বলে শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

তাদের অভিমত, মাত্র একটি সোর্সের ওপর নির্ভর করে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনায় সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে দেশের টিকাদান কার্যক্রম। বাংলাদেশ এসব টিকার অনুমোদন দিচ্ছে না। কারণ, এগুলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রি-কোয়ালিফাইড নয়। কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি দেশে রাশিয়ার টিকা স্পুটনিক-ভি ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন ছাড়াই। এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতও এই টিকার অনুমোদন দিয়েছে। অন্যদিকে চায়নার টিকার ‘ইমার্জেন্সি অথরাইজেশন’ দেওয়া হয়েছে। এমনকি করোনা মহামারি বিবেচনায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো করোনার টিকার অনুমোদন দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। এ ধরনের মহামারির ক্ষেত্রে জরুরি অবস্থা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

এদিকে সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে চীন এবং রাশিয়ার উৎপাদিত টিকা। এই দুটি দেশের পক্ষ থেকে টিকাদানের আগ্রহ দেখানো হলেও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আশানুরূপ সাড়া মিলছে না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, এ মুহূর্তে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের কার্যক্রম একইসঙ্গে চালানোটা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। পরিকল্পনা অনুযায়ী দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যাবে কি না, এ বিষয়টি নিয়ে আমরা এখন চিন্তিত। কারণ, আমাদের হাতে যথেষ্ট পরিমাণ টিকা নেই। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার পরবর্তী চালান দেশে আসার বিষয়ে সরকার এখনো সুনির্দিষ্ট করে জানতে না-পারায় চলমান টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশে করোনা টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করতে চারটি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। এর মধ্যে একটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান, অন্য তিনটি বিদেশি। একটি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে প্রথম ফেজ থেকে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করতে। অন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান দেশে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করবে। এর মধ্যে দুটি বিদেশি কোম্পানির আবেদনগুলো বিএমআরসি (বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল) গ্রহণ করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাশিয়ার তৈরি স্পুটনিক-ভি টিকা বিভিন্ন পরীক্ষায় সবচেয়ে কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি দেশে এই টিকার কম-বেশি ব্যবহার হয়েছে। দেশে এই টিকা আনতে একটি কনসোর্টিয়াম কাজ করছে। ইতোমধ্যে তারা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে একটি আবেদন করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশে করোনা ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল পরিচালনা করতে চায় ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল বায়োলজি চাইনিজ অ্যাকাডেমি অব মেডিকেল সায়েন্স (আইএমবিসিএএমএস)। চায়নার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এ প্রতিষ্ঠান ১৯৫৮ সালে সাবেক সোভিয়েত রাশিয়ার সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পরেই ১৯৬০ সালে ওরাল পলিওমাইলেস্টি ভ্যাকসিন (ওপিভি) এবং ১৯৯২ সালে হেপাটাইটিস এ ভ্যাকসিন উৎপাদন শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত দুই বিলিয়ন ওপিভি এবং ৫২ বিলিয়ন ডোজ হেপাটাইটিস-এ টিকা উৎপাদন ও বাজারজাত করেছে। এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মনোনীত একটি বৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ২০১৯ সালে করোনা মহামারি শুরু হলে প্রতিষ্ঠানটি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে একটি ‘ইনঅ্যাকটিভেটেড ভ্যাকসিন’ উদ্ভাবনে কাজ শুরু করে। ইতোমধ্যে সার্সকোভ-২ নামের একটি টিকা উদ্ভাবন করে, যা আন্তর্জাতিক গাইডলাইন অনুসারে প্রাণীদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ এবং মানবদেহে পরীক্ষামূলক ফেজ-১ ও ফেজ-২ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।

আইএমবিসিএএমএস টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালনায় দেশের একটি ওষুধ কোম্পানির মাধ্যমে গত ২৩ ডিসেম্বর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের কাছে আবেদন করে। যেটি পরিচালনায় ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র (আইসিডিডিআর,বি)-এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই টিকার ট্রায়াল পরিচালিত হচ্ছে এবং এর কোনো তীব্র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এদিকে ভারত বায়োটেক নামে ভারতীয় রাষ্ট্রায়ত্ত গবেষণা প্রতিষ্ঠান একটি করোনার টিকা উদ্ভাবন করেছে। এটিও একটি ‘ইনঅ্যাকটিভেটেড ভ্যাকসিন’। ইতোমধ্যে এ ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল পরিচালনার জন্য বিএমআরসিতে আবেদন করেছে। এ প্রতিষ্ঠানের ক্লিনিক্যাল রিসার্চ করার জন্য আইসিডিডিআর,বির সঙ্গে চুক্তি হয়েছে।

এ ছাড়া গত ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক তাদের উৎপাদিত করোনাভাইরাস টিকা মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে অনুমতির জন্য বিএমআরসিতে আবেদন করে।

এ বিষয়ে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটির সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তো জটিল নয়। টিকার মতো জীবন রক্ষাকারী ওষুধের ক্ষেত্রে যত বেশি ট্রায়াল পরিচালনা করা হবে ততই ভালো। ট্রায়ালে যদি অবস্থা ভালো হয়, তাহলে আমরা ওই টিকা নেব। ভালো না-হলে নেব না। তবে সরকার কেন ট্রায়ালের অনুমোদন দিচ্ছে না, সেটি বোধগম্য নয়।

আইএমবিএএমএএমএস-এর মার্কেটিং বিভাগের পরিচালক মি. ইন কোভিড-১৯ টি ভ্যাকসিন বিষয়ে মঙ্গলবার টেলিফোনে যুগান্তরকে জানান, তারা বাংলাদেশকে টিকা দিতে প্রস্তুত। ইতোমধ্যে তাদের টিকার ব্রাজিল, মেক্সিকো, মালয়েশিয়া ট্রায়াল পরিচালিত হচ্ছে। এসব ট্রায়ালে ফল বেশ ভালো পাওয়া যাচ্ছে। তা ছাড়া এই টিকা চীনে বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীর ওপর প্রয়োগ করে সুফল পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার চাইলে প্রয়োজনীয় টিকা সরবরাহ করবে তারা। টিকার দাম প্রসঙ্গে জানত

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ

পুরাতন সংবাদ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।     Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.  
Theme Customized By BreakingNews