অন্যদিকে স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীর দাবি, নদীর পাড়ে আবর্জনা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
এ সময় বাসস্ট্যান্ডের পাশে থাকা বেশকিছু দোকানের মালামাল তাৎক্ষণিক সরিয়ে ফেলা হয় ও পাশে ইছামতি নদী থাকায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। এ ঘটনার বিষয়ে এন মল্লিক পরিবহণ সংস্থার চেয়ারম্যান নারগিস মল্লিক বলেন, ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষ আমার ব্যবসার ক্ষতি করতে এ ঘটনা ঘটাতে পারে বলে আমার মনে হয়।
প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানান দোহার ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক আব্দুল হক। এ বিষয়ে বান্দুরা ইউপি চেয়ারম্যান মো. হিল্লাল মিয়া ও বান্দুরা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মিনাল বলেন, প্রায় ১৫টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে। নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগ ও সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
এ ছাড়া তৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালাউদ্দীন মনজু, দোহার সার্কেলের এএসপি জহিরুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অরুণ কৃষ্ণ পাল, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া কিসমত, নবাবগঞ্জ থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম শেখসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.
Leave a Reply