চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে মোটর সাইকেল চুরি আশংকাজনকহারে বেড়েছে।গত ০৩ মাসে অর্ধ শতাধিক মোটর সাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ সব ঘটনায় বোয়ালখালী থানায় মাত্র ০৭ টি জিডি হয়েছে বলে থানা সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
অনেক সময় থানা পুলিশি হয়রাণীর ভয়ে অনেকে শখের বাইকটি হারিয়ে থানার দ্বারস্থ হতে চাইনা। পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠছে ক্ষতিগ্রস্তরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের গত ১৬জুলাই (শুক্রবার) একই দিনে উপজেলা ০২ ইউনিয়ন থেকে ০২ টি, ২০জুলাই (মঙ্গলবার) মুজাহিদ চৌধুরী পাড়া মসজিদ থেকে ০১টি, গত ২৩ জুলাই (শুক্রবার) উপজেলার ছনদন্ডী জোঠপুকুরপাড় গ্রীল ওর্য়াকশপের মালিক কফিল উদ্দিনের মোটর সাইকেলটি তার বাড়ি থেকে জুমার নামাজের সময় নিয়ে যায় চোরের দল।
কোরবানের আগের দিন উপজেলা মুজাহিদ চৌধুরীপাড়া নতুন জামে মসজিদের সামনে থেকে দুপুরে চুরি হয় এক মুসুল্লির মোটর সাইকেল। ১৬ জুলাই উপজেলার সারোয়াতলী ইউনিয়নের ছনদন্ডী বাদুরতলা থেকে স্থানীয় নুরুল ইসলামের মোটর সাইকেল চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল।
জুমার নামাজের সময় এ ঘটনা ঘটে। একইদিন সন্ধ্যায় ১০ নং আহল্লা কড়লডেঙ্গা ইউনিয়নের আহল্লা শেখ চৌধুরীপাড়া এলাকা স্থানীয় কামাল মেম্বারের ভাই সেহাব উদ্দিনের মোটর সাইকেলটি চুরি হয় তার বাড়ির উঠান থেকে। এর আগে গত ০২ জুলাই (শুক্রবার) জুমার নামাজ পড়তে মসজিদে ঢুকলে এর ফাঁকে আকুবদন্ডীর সৈয়দ মো. মুসলিমের মোটর সাইকেলটি চুরি হয়।
পোপাদিয়ার হাওলা কুতুবিয়া মাদ্রাসা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। একইভাবে ০৪ জুলাই পৌরসভার মুজাহিদ চৌধুরীপাড়া নতুন মসজিদে এক মুসল্লি মাগরিবের নামাজ পড়তে ঢুকলে তার মোটর সাইকেলটি নিয়ে যায় চোরের দল। এদিকে গত দেড়মাস আগে পৌরসভার মুজাহিদ চৌধুরীপাড়া ইছাক চৌধুরীর বিল্ডিংয়ের নিচ থেকে এক এনজিও কর্মীর মোটর সাইকেলটি চুরি হয়।
অন্যদিকে রমজানের শেষ জুমায় হাজির হাট জামে মসজিদের বাইরে থেকে আকুবদন্ডীর মফিজুর রহমানের মোটর সাইকেলটি চুরি হয়ে যায়।গত ১২ আগস্ট পৌরসভার মুরাদ মুন্সির হাট থেকে মুনছুর আলী নামের এক ব্যবসায়ির মোটর সাইকেলটি চুরি হয়।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানায়, বোয়ালখালীতে গত কয়েক মাসে প্রায় অর্ধশতাধিক মোটর সাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। একটিও উদ্ধার করতে পারিনি বোয়ালখালী থানা পুলিশ। থানা জিডি বা মামলা করে কোন লাভ হয় না। বাইক উদ্ধারে পুলিশের কোন তৎপরতা দেখা যায় না। চুরি রোধ করতে পুলিশ কোন পদক্ষেপ নেয় না। বরং নানা পুলিশী হয়রাণীর শিকার হতে হয় ভুক্তভোগীদের।
জানতে চাইলে বোয়ালখালী অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল করিম তাঁর জুরুরি মিটিং আছে বলে মুঠো ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.
Leave a Reply