1. mdshuvo11167@gmail.com : admin :
  2. mehendiganjtimes20@gmail.com : Faisal Howlader : Faisal Howlader
  3. mehendiganjtimes2020@gmail.com : Mehendiganj Times : Mehendiganj Times
পোড়া দেহগুলোর সবাইকে মা মনে হচ্ছে। - মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস ।। Mehendiganj Times
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
কাজিরহাটে ৩০ বছর ধরে বেহাল রাস্তা, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ। মেহেন্দিগঞ্জ হাসপাতালের সেবার মান বাড়াতে কঠোর বার্তা প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের – অব্যবস্থাপনা মানা হবে না। মেহেন্দিগঞ্জ থানা বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মনোনীত! মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলায় অবদানের জন্য ওসি মমিন উদ্দিনকে ক্রেস্ট প্রদান। মেহেন্দিগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। হিজলায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী হামলা, নারীসহ আহত ৩ লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত সোহেলের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার চেক দিলেন নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। মেহেন্দিগঞ্জে স্কুল মাঠ থেকে ১৫ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার। মেহেন্দিগঞ্জে কালবৈশাখীর ক্ষত চিহ্ন মুছছে যুবদল: জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে ১৯পরিবার পেল নতুন ঘর। রাজিব আহসানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ৩২০ পরিবারকে ঈদ উপহার দিলেন সোহাগ। ঈদের আগেই হাসি ফুটল ৩২৫ পরিবারের মুখে মেহেন্দিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ।
সংবাদ শিরনাম :
কাজিরহাটে ৩০ বছর ধরে বেহাল রাস্তা, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ। মেহেন্দিগঞ্জ হাসপাতালের সেবার মান বাড়াতে কঠোর বার্তা প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের – অব্যবস্থাপনা মানা হবে না। মেহেন্দিগঞ্জ থানা বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মনোনীত! মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলায় অবদানের জন্য ওসি মমিন উদ্দিনকে ক্রেস্ট প্রদান। মেহেন্দিগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। হিজলায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী হামলা, নারীসহ আহত ৩ লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত সোহেলের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার চেক দিলেন নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। মেহেন্দিগঞ্জে স্কুল মাঠ থেকে ১৫ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার। মেহেন্দিগঞ্জে কালবৈশাখীর ক্ষত চিহ্ন মুছছে যুবদল: জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে ১৯পরিবার পেল নতুন ঘর। রাজিব আহসানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ৩২০ পরিবারকে ঈদ উপহার দিলেন সোহাগ। ঈদের আগেই হাসি ফুটল ৩২৫ পরিবারের মুখে মেহেন্দিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ।

পোড়া দেহগুলোর সবাইকে মা মনে হচ্ছে।

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
  • ৩১৯ ০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক //

রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন শ্রমিক মিনা খাতুন (৪০)। শুক্রবার সারা দিন খুঁজেও কোথাও তার দেখা পাননি ছেলে দেলোয়ার। শেষে রূপগঞ্জ থেকে কিছু পথ রিকশা, কিছু পথ পায়ে হেঁটে কিশোর দেলোয়ার চলে আসেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে।

সেখানে এসে দেখেন তার মতো আরও অনেক কিশোর এসেছেন মায়ের খোঁজে। কেউ এসেছেন প্রিয়তমা স্ত্রী অথবা আদরের মেয়েটির খোঁজে। হারানো স্বজনকে খুঁজে ফেরা মানুষগুলো সেলফোনে তোলা ছবি দেখিয়ে একে ওকে প্রশ্ন করছেন , ‘এমন কাউরে কি হাসপাতালে দেখেছেন?’

ভাগ্যের কী নির্মম পরিণতি! শুক্রবার দুপুরের দিকে রূপগঞ্জের কর্ণগোপ থেকে হতভাগ্য শ্রমিকদের মরদেহ নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আসছিল একেকটি অ্যাম্বুলেন্স। আগুনে শ্রমিকদের শরীর এতটাই পুড়ে গেছে যে মরদেহগুলো দেখে বোঝার উপায় নেই কোনটা কার মরদেহ।

শব মিছিল দেখে কান্নার রোল উঠে সমবেত স্বজনদের মধ্যে। দেলোয়ার, তার সঙ্গে আসা আরেক কিশোর শামীম চোখের জল মুছে এগিয়ে যান মর্গের দিকে।

মর্গের ফ্লোরে সারি করে রাখা মরদেহগুলো কিশোর দেলোয়ার অশ্রুসিক্ত নয়নে সাংবাদিকদের বলেন, ‘লাশভরা ব্যাগগুলো দেখে মনে হচ্ছে এখানেই মায়ের লাশ আছে। কিন্তু কাউরে তো চেনা যাচ্ছে না। ব্যাগে থাকা পোড়া দেহগুলোর সবাইকে মা মনে হচ্ছে।’

রূপগঞ্জের গাউসিয়ার নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা শামীম জানালেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে খোঁজ মিলছে না তার মা অমৃতা বেগমের (৩৮) ।

রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিখোঁজ মাকে খুঁজছেন এক তরুণ। ছবি-মাহবুব হোসেন নবীন
মোবাইল ফোনে তোলা মমতাময়ী মায়ের একটি ছবি দেখিয়ে মর্গের কর্মীদের তিনি জিজ্ঞাসা করেন, ‘ভাই, এখানে কি আমার মায়ের লাশ আছে?’

শামীম সমকালকে জানান, তার মা অমৃতা বেগম (৩৮) বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় কারখানায় যান। রাত ৮টায় ফেরার কথা। কিন্তু এর আগেই আগুন লেগে যায় সেখানে। খবর পেয়ে কারখানার সামানে গেলেও মাকে আর খুঁজে পায়নি। কারখানার চার তলা পর্যন্ত গিয়েও মাকে পায়নি। আগুন দেখে ফের নিচে নেমে আসে। কথা বলতে গিয়ে ওই কিশোরের চোখ বেয়ে পানি নেমে আসে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে একটা লাশ উদ্ধার হলেই মায়ের মুখখানি দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে সে। কারখানার আশপাশে লাশ না পেয়ে মর্গে ছুটে এসেছে।

শামীম বলেন, ‘আমার দুইডা বোন মিম আর সোমা মায়ের জন্য খুব কানতাসে। ওরা খুব ছোট।’

১৭ বছর বয়সী খাদিজা বেগম আর তার মা সুফিয়া বেগম হাসেম ফুড কারখানায় কাজ করতেন। বৃহস্পতিবার দু’জনই কারখানায় কাজে থাকলেও মা সুফিয়া বেগম আগুন লাগার আগে বেরিয়ে আসেন। কিন্তু খাদিজাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

খাদিজার দিনমজুর বাবা মর্গের সামনে কাঁদছিলেন। জানতে চাইলে বলেন, সকালে (বৃহস্পতিবার) মেয়েটা ওর মার সঙ্গে বাসা থেকে বের হয়ে গেল। এখন আর খুঁজে পাচ্ছেন না।

এই বাবা বারবার জানতে চাইছিলেন, তার মেয়েটা জীবিত আছে, নাকি সারি সারি লাশের মধ্যে তার খাদিজাও আছে। অবশ্য তার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছিলেন না মর্গের সামনে ভিড় করা কেউই।

রূপগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ুন কবির মোল্লা লাশ নিয়ে মর্গে এসেছেন।

তিনি জানালেন, আগুনে পুড়ে নিহত হওয়া কাউকেই চেনা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় লাশ হস্তান্তর করাও সম্ভব নয়। এ জন্য যারা কারখানাটির নিখোঁজ শ্রমিকদের সন্ধান করছেন, সেই স্বজনদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। ডিএনএ মিলিয়ে এর পর লাশ হস্তান্তর করা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ

পুরাতন সংবাদ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।     Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.  
Theme Customized By BreakingNews