কুয়াকাটায় হামলার ঘটনাটি সাজানোঃ দাবী ভুক্তভোগীর!
-
আপডেট সময় :
শুক্রবার, ১ এপ্রিল, ২০২২
-
২৪৩
০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বুধবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় কুয়াকাটা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড পাঞ্জুপাড়া গ্রামে এক মুদি দোকানী প্রতিবেশীকে পাওনা টাকার জেরে বাকবিতন্ডায় হামলার সূত্রপাতে উভয় গ্রুপ গুরুতর আহত হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, মুদি দোকানী রাসেল’র (২৩) পিতা মাসুম খান প্রথম পর্যায়ে বাকবিতণ্ডার সূত্রপাত করে এবং বৈদ্যুতিক তার দিয়ে একই পরিবারের উভয় তিনজন সদস্যসহ ভুক্তভোগী মিরাজকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করে।
সরেজমিনে জানা যায়, মিরাজ চুকানীকে প্রথমে কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়েই দোকানের খুটির সাথে বেঁধে ফেলে, এবং বৈদ্যুতিক তার দিয়ে পিটিয়ে জখম করে ফেলে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী তার ভাইকে ফোন দিলে ঘটনাস্থলে এসে মারপিটের কারন জানতে চাইলে কোনো তর্ক ছাড়াই সৈয়দ মোঃ কাওসারকে হামলার চেষ্টায় ঐ পরিবারের তিনজন মিলে ঝাঁপিয়ে পড়লে ভুক্তভোগীর ভাই প্রতিরোধ গরে তোলে। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রথমে হামলাকারী তিনজন জখম ও আহত হয়।
ভুক্তভোগী মিরাজ চুকানী (২৭) জানায়, আমার সাথে যে ঘটনাটি ঘটেছে তা কখনোই একজন প্রতিবেশীদের থেকে কাম্য নয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার বাড়ির সামনে মুদি দোকান থেকে নগদ এবং বাকিতে সবসময় লেনদেন করে আসছি কিন্তু হটাৎ করে এমন উদ্দেশ্য প্রণীতভাবেই আমাকে হামলা করেছে তারা। আমার পিতার অনুপস্থিতিতে একা উপায়ান্তর না পেয়ে খালাতো ভাইকে ফোন করে ডাকলে তাকেও হামলার চেষ্টা করলে তারা। এমতাবস্থায় আমার ভাই ঘটনাক্রমে মারপিটে জরায় এবং প্রথমে হামলাকারীরা আহত ও জখম হয়। তবে আহতদের এমন ঘটনা ভুক্তভোগী বলছেন কৌশলমাত্র। তিনি আরো বলেন ঘটনার সর্বশেষ আমার পিতা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাকেও হামলার চেষ্টা করে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে যে কারনে এর কিছুক্ষণ পর আমার আত্মীয় স্বজনরা অহেতুক হামলার বিষয়ে জানতে চাওয়াকে কেন্দ্র করে উপস্থিত হয়ে রাগের মাথায় দোকানের বেরায় নারাচারা দিয়ে চলে যায় যঅ পরবর্তীতে তারা সকলেই পালিয়ে যায় এবং নানা অভিযোগ আনে আমাদের উপরে।
তিনি উল্লেখ করে বলেন, যদি দোকানঘর ক্ষতিগ্রস্ত করা হতো তাহলে দোকানের সাটারে কোনো চিহ্ন নেই কেন? বিশেষ করে আমার পরিবারকে নিয়ে তারা নানা অশালীন মন্তব্য করে যা আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়৷ তাই আমরা এ বিষয়ে কঠোর বিচারের দাবী জানাই। আমরা নিরেপক্ষ ও উপযুক্ত ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাই যাতে আমাদের বিরুদ্ধে সকল অনৈতিক অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে পারি এবং সমাজে শৃঙ্খলা ফিরে আসে।
তবে ঘটনার বিষয়ে মোঃ রাসেল জানিয়েছেন যে, আমার সামনে আমার বাবাকে ধাক্কা দেওয়া হলে আমি মানসম্মানের প্রশ্নে মারপিটে বাধ্য হই।
এবিষয়ে মাসুম খান প্রথমে ঘটনার সূত্রপাতের জন্য নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, এটা আসলেই রাগের মাথায় হয়েছে। এখন আমাদের এই ঘটনার জন্য কুয়াকাটা পৌরসভার সম্মানিত মেয়র মহোদয় আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের নির্ধারিত তারিখ মোতাবেক সামাজিকভাবে স্থানীয় প্রশাসনের বিচারকার্যের সিদ্ধান্তে আমরা একটি সমাধানে মধ্যে উপনীত হবো। সামাজিক অঙ্গনে যে সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে তা আমরা মেনে নিবো।
Like this:
Like Loading...
নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
Leave a Reply