mehendiganjtimes2020@gmail.com : Mehendiganj Times : Mehendiganj Times
- মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস ।। Mehendiganj Times
প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ৬:২৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মার্চ ৩১, ২০২২, ৮:৪৩ এ.এম
কুয়াকাটায় পাওনা টাকার কেন্দ্র -হামলার শিকার ৩
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
দোকানে পাওনা টাকা ও ভেঙ্গে ফেলা চেয়ার চাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারিতে আহত হয়েছে মুদি দোকানী পরিবারের তিনজন সদস্য। অভিযোগ পাওয়া যায় হামলা শেষে পরবর্তীতে দোকানঘর ভাংচুর করেছে!
বুধবার (৩১, মার্চ) রাতে কুয়াকাটা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মুদি দোকান ব্যবসায়ী মোঃ রাসেল (২৫) তার বাবা মোঃ মাসুম খান (৪৮)কে দোকানে বসিয়ে রেখে বাসায় গেলে তার অবর্তমানে প্রতিবেশী মিরাজ চুকানী (২৭)কে পূর্ব সূত্রে গত ছ'মাস অতিক্রম এখন; তখন দোকানের মধ্যে অবস্থান করে বসে থাকাকালীন একটি প্লাস্টিকের চেয়ার ভেঙ্গে যায়, এটিকে মিরাজ চুকানী (২৭) ক্রয় করে দিবে বলে লোকসমাজে প্রতিশ্রুতি দেয় যার প্রেক্ষিতে; রাসেল'র মুদি দোকানের ঐ পাওনা টাকা প্রসঙ্গ উভয় পরিশোধে জন্য কয়েকবার বলা হলেও কোনো ভ্রুক্ষেপ না করায় অদ্য রাত ৯টায় একই বিষয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে গেলে একপর্যায়ে মারামারির সূত্রপাত হয়।
নিজের পিতাকে সন্তানের সামনে (একজন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যাক্তিকে) সম্মানহানী করা ও আহত করা নিজ চোখের সামনে এটি দেখা আসলেই লজ্জাজনক! রাসেল তার নিজ পিতাকে (জন্মদাতা হিসেবে) একজন ছেলে এবং মানবিকতার প্রশ্নে দায়বদ্ধ হয়েই প্রতিবাদ করতে হয়েছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী মিরাজের খালাতো ভাই সৈয়দ মোঃ কাওসার (২৭) ঘটনাস্থলের বিবরণী না শুনেই উপস্থিত হয়ে সেখানে এসে রাসেলের বাবা ও ছোট ভাইকেসহ আক্রমণ করলে তারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম ও আঘাতপ্রাপ্ত হয়। পথিমধ্যে মিরাজের বাবা সাহেদ চুকানী (৫০) ছেলের সাথে মারপিটের কিছুসময় পর এসেই কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করেই উল্টো রাসেলের পরিবারের সম্মুখেই দোকানের সমস্ত ঝাপ, দোকানের বেড়া, বিভিন্ন মালামাল নিমিষেই ইটপাটকেল মেরে দোকানঘর ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলে। অবস্থা বেগতিক হলে আহতাবস্থায় মাসুম খান, রাসেল ও তার ছোট ভাই স্থানীয় সাধারণ চিকিৎসা গ্রহণ করে।
অভিযোগ পাওয়া যায় ভুক্তভোগীরদের পুনরায় মারাপিটের জন্য কুয়াকাটা সদরে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আরো অভিযোগ পাওয়া যায় পুলিশের এসআই পরিচয়ে ফোন দিয়ে দেখা করতে বলা হয়েছে। নিরুপায় হয়ে তারা ন্যায় ও সত্য বিচারের আশ্রয়ে মেয়র আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের শরণাপন্ন হয়ে স্থানীয় সালিশের অপেক্ষায় রয়েছেন।
এবিষয়ে পৌর ৮নং ওয়ার্ডের ছাত্রলীগ সভাপতি সৈয়দ মোঃ কাওসার ঘটনার বিষয়ে জানিয়েছে যে কুয়াকাটা পৌরসভার সম্মানিত মেয়র মহোদয় অবগত হয়েছেন তাই বৃহস্পতিবার (৩১, মার্চ) সালিশ বৈঠকে বসবো।
তবে ঐ তিনি এবিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।