প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ৭:২৮ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২২, ৮:১৭ এ.এম
হিজলায় জরাজীর্ণ গুচ্ছগ্রাম এখন গবাদিপশুর আবাসস্থল।

স্টাফ রিপোর্টার।
বরিশালের হিজলা ১৯৯৭ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে গৃহহীনদের জন্য আবাসস্থল নির্মাণ প্রকল্প (১) এর আওতায় নির্মিত গুচ্ছগ্রামটি এখন পরিত্যক্ত,জরাজীর্ণ ও বসবাসের অনুপযোগী হয়ে রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত।
পাঁচ একর জমির উপর নির্মিত উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পটি এখন বসতিশূন্য হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় আশ্রয়ণ প্রকল্পে রয়েছে ৭টি ব্যারাক, প্রত্যেকটি ব্যারাকে ১০টি পরিবার বসবাসের করার উপযোগী রুম রয়েছে। গুচ্ছগ্রাম টির চতুর্দিকে ব্যারাকে আবৃত, মাঝখানে বিশাল এক পুকুর সেখানে মাছ চাষ করার জন্য সুফলভোগীদের ব্যবস্থাও রয়েছে।
জরাজীর্ণ ব্যারাকে কয়েকটি পরিবার বাস করলেও বাকি ব্যারাকগুলো ভেঙেচুরে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা সেই রুমগুলোতে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি পালন করছে।
বিশাল আশ্রয়ন প্রকল্প খুঁজে মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার পাওয়া গেছে, তার এই প্রতিবেদককে জানান, নিজস্ব ভূমি নেই বলে সরকার এখানে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। ধীরে ধীরে এই ঘরগুলোর টিনের চালা, খুঁটি,বেড়া ভেঙে গেছে। প্রশাসন কিংবা জনপ্রতিনিধিরা এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন না।
সরকার ১৯৯৮-৯৯ সালে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর তদারকিতে ভূমিহীনদের থাকার জন্য এ আশ্রয়ণ প্রকল্প গড়ে তোলে।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের সাধারণ সম্পাদক রশিদ চকিদার বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পটি নির্মাণের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মেরামত করা হয়নি। এখানে থাকা প্রত্যেক সদস্যের নামে ৮ শতাংশ করে জমি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। কিন্তু একটি চক্র অনেক ভূমিহীনের জমি প্রতারণা করে নিয়ে গেছে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন হাওলাদার বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পটি মেরামত করে দেওয়ার জন্য ইউএনওকে একাধিকবার জানানো হয়েছে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ও প্রকল্পটি এসে পরিদর্শন করে গেছেন কিন্তু এখনো কোনো সংস্কার কিংবা মেরামত করা হয়নি। হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বকুল চন্দ্র কবিরাজ বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পে ভূমিহীনদের থাকার জায়গাটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, বিষয়টি জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক : ফয়সাল হাওলাদার।
Copyright © 2026 মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস ।। Mehendiganj Times. All rights reserved.