
মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস নিউজ ডেস্ক //বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার আন্ধার মানিক ইউনিয়নে জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত রেশনের তালিকায় ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নের মোট ৯৬ জন জেলের তালিকায় নামের অন্তর্ভুক্তিতে চরম বৈষম্যের চিত্র ফুটে উঠেছে, যা নিয়ে স্থানীয় সাধারণ জেলে ও সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আন্ধার মানিক ইউনিয়নের জেলেদের সহায়তার জন্য সরকারিভাবে যে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে, তাতে ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে মাত্র একটি ওয়ার্ডকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তথ্যমতে, ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিকের নিজ এলাকা ৩নং ওয়ার্ডে মোট ৯৬টি নামের মধ্যে ৬৮টি নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, ইউনিয়নের বাকি ৮টি ওয়ার্ডের জন্য রাখা হয়েছে মাত্র ২৮টি নাম। অর্থাৎ প্রতিটি ওয়ার্ডে গড়ে মাত্র ৩ জন করে জেলে এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত হতে পেরেছেন। তালিকাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই এলাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে। প্রকৃত জেলেরা অভিযোগ করেছেন যে, সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের ওয়ার্ডের অনুসারীদের সুবিধা দিয়েছেন,যার ফলে অন্য ওয়ার্ডের শত শত প্রকৃত মৎস্যজীবী এই সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
স্থানীয়দের দাবি, আবু বকর সিদ্দিকের এই অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে উচ্চতর কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তারা অনতিবিলম্বে এই বিতর্কিত তালিকা বাতিল করে সকল ওয়ার্ডের প্রকৃত জেলেদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।
এই বিষয়ে আন্দারমানিক ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিকের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে, তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান,আমি আমার ওয়ার্ল্ড থেকে মাত্র ৫ জনের নাম এবং ইউনিয়ন থেকে সর্বোমোট ৫০ জনের নাম দিয়েছি, ৯৬ জন কিভাবে হলো সেটা মৎস অফিস ভালো বলতে পারবে,তবে শুনেছি কিছু লোক মৎস অফিসকে ম্যানেজ করে তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে।
লএ বিষয়ে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ওমন সানি বলেন এই বিষয়টি বিতরণ কমিটি জানেন। কিন্তু তিনি জানেন না।
স্থানীয়রা আশা করছেন, দ্রুতই যথাযথ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করবেন।
Leave a Reply