1. mdshuvo11167@gmail.com : admin :
  2. faysal.rakib2020@gmail.com : Rakibul Hasan : Rakibul Hasan
  3. labpoint2017@gmail.com : Faisal Howlader : Faisal Howlader
  4. mehendiganjtimes2020@gmail.com : Mehendiganj Times : Mehendiganj Times
কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে মা-ছেলেসহ তিনজনকে গুলি করে হত্যা। - মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস ।। Mehendiganj Times
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
মেহেন্দিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন। কাজিরহাট থানা প্রেসক্লাবের উদ্বেগে ইফতার ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নৌপথে নিরাপদ যাত্রার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। মেহেন্দিগঞ্জে ‘সম্মিলিত সাংবাদিক জোট’-এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন। কাজিরহাট গ্রাম পুলিশ জাফর ফকিরের ছেলে সহ মোট দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। মেহেন্দিগঞ্জে ডিএমসি’র উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ। প্রশংসায় তরুণরা। মেহেন্দিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন ওসি, অভিযানে ৬জন আটক। মেহেন্দিগঞ্জে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি। মেহেন্দিগঞ্জে পুলিশ সদস্যে মোঃ আলমগীর হোসেন এর রাজকীয় বিদায়। মেহেন্দিগঞ্জে জাতীয় পাটি’র কমিটি বিলুপ্ত করে সহস্রাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগদান করলেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃ মিজানুর রহমান।
সংবাদ শিরনাম :
মেহেন্দিগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন। কাজিরহাট থানা প্রেসক্লাবের উদ্বেগে ইফতার ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নৌপথে নিরাপদ যাত্রার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। মেহেন্দিগঞ্জে ‘সম্মিলিত সাংবাদিক জোট’-এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন। কাজিরহাট গ্রাম পুলিশ জাফর ফকিরের ছেলে সহ মোট দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। মেহেন্দিগঞ্জে ডিএমসি’র উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ। প্রশংসায় তরুণরা। মেহেন্দিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন ওসি, অভিযানে ৬জন আটক। মেহেন্দিগঞ্জে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি। মেহেন্দিগঞ্জে পুলিশ সদস্যে মোঃ আলমগীর হোসেন এর রাজকীয় বিদায়। মেহেন্দিগঞ্জে জাতীয় পাটি’র কমিটি বিলুপ্ত করে সহস্রাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগদান করলেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃ মিজানুর রহমান।

কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে মা-ছেলেসহ তিনজনকে গুলি করে হত্যা।

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১
  • ৩০৪ ০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ
পরকীয়ার জেরে কুষ্টিয়ায় দ্বিতীয় স্ত্রী ও সৎছেলেসহ তিনজনকে গুলি করে হত্যা করেছে পুলিশের এক এএসআই। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা শহরের ম. আ. রহিম সড়কের একটি মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন নাথুরিয়া বাঁশগ্রামের আমির আলীর মেয়ে আসমা খাতুন (২৬), তার ছেলে রবিন (৮) ও কুমারখালী উপজেলার সাঁওতা গ্রামের মেজবার খানের ছেলে বিকাশকর্মী শাকিল হোসেন (২২)। ঘটনাস্থল থেকে সৌমেন কুমার নামের ওই এএসআইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার খাইরুল আলম জানিয়েছেন, এ ঘটনায় সৌমেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি সাব্বিরুল ইসলাম জানান, সৌমেন মাগুরার বাসিন্দা, খুলনার ফুলতলা থানায় কর্মরত ছিল। জিজ্ঞাসাবাদে সে নিহত আসমাকে তার স্ত্রী বলে দাবি করেছে। রবিন আসমার আগের ঘরের ছেলে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সৌমেনের স্ত্রী আসমার সঙ্গে বিকাশকর্মী শাকিলের কোনো সম্পর্ক বা আর্থিক লেনদেনের ঝামেলা ছিল। সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় মামলা করেছেন নিহত শাকিলের বাবা মেজবার রহমান।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, বেলা ১১টার দিকে আসমা, তার শিশুপুত্র এবং শাকিল কাস্টম মোড়ে ডা. আজাদুর রহমানের ৪তলা ভবনের নিচ তলায় মার্কেটে একটি বিকাশের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছিল।

এ সময় সেখানে সৌমেন আসে। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সৌমেন নিজের কাছে থাকা অস্ত্র বের করে স্ত্রী আসমা ও শাকিলের মাথায় কয়েক রাউন্ড গুলি করে।

দুজনে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পর আরও কয়েক রাউন্ড গুলি করে সে। শিশু রবিন দৌড়ে পালাতে গেলে তাকেও পেছন থেকে গুলি করে সৌমেন।

গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে মার্কেটের মেঝেতে তিনটি লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় লোকজনকে অস্ত্র উঁচিয়ে ভয় দেখায় সৌমেন। এতে ক্ষিপ্ত এলাকাবাসী অস্ত্রধারীর ওপর হামলা করতে উদ্যত হয়।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সৌমেন অস্ত্র ফেলে মার্কেটের ভেতর ঢুকে পড়ে। এরপর ব্যবসায়ীরা একজোট হয়ে সৌমেনকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ে। ইতোমধ্যে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে সৌমেনকে আটক করে।

মার্কেটের পাশের এক চা দোকানি বলেন, ‘হঠাৎ গুলির শব্দ শুনে তাকিয়ে দেখি মার্কেটের ভেতর থেকে একটা ছোট্ট শিশু ছুটে বের হয়ে এলো। ওর পেছনে পিস্তল ধরা লোকটি ছুটে এসে শিশুটিকে ধরে অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করল। শিশুটি মাটিতে পড়ে গেল।’

এক মুদি দোকানি বলেন, ‘হঠাৎ গুলির শব্দ শুনতে পাই। এর পরই এক বাচ্চাকে একজন গুলি করছে দেখতে পাই। গুলি করার পর শিশুটি মাটিতে পড়ে যায়।

এরপর আমরা হইচই শুরু করলে হামলাকারী আবার গুলি ছুড়তে শুরু করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা এখানে আসি। তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আর খুনিকে আটক করেছি। এ বিষয়ে তদন্ত করে পরে বিস্তারিত জানানো হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। তবে প্রাথমিকভাবে হত্যার কারণ তিনি জানাতে পারেননি।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তাপস কুমার সরকার বলেন, ‘নিহতদের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি লেগেছে। খুব কাছ থেকে গুলি চালানো হয়।’

সন্ধ্যায় ময়নাতদন্ত শেষে আসমা ও রবিনের লাশ আসমার মা এবং শাকিলের লাশ তার পরিবারের লোকজন গ্রহণ করে বাড়িতে নিয়ে যায়।

নিহত শাকিলের বাড়ি সাঁওতা গিয়ে কথা হয় তার ভাবি লতা ও মা মারিয়াম খাতুনের সঙ্গে। তারা জানান, আসমার সঙ্গে শাকিলের চেনাজানা ছিল। তাদের ভাই-বোনের সম্পর্ক ছিল। এর বাইরে কোনো গোপন সম্পর্ক তাদের মধ্যে ছিল বলে আমরা জানি না।

দেড় মাস আগে সৌমেন আমাদের বাড়িতে আসে। আসার পর সে জানায়, তার স্ত্রী আসমার সঙ্গে শাকিলের গোপন সম্পর্ক রয়েছে। সে (শাকিল) যেন তার সঙ্গে মেলামেশা না করে। এরপর সে (সৌমেন) চলে যায়।

জানা যায়, নিহত আসমা এএসআই সৌমেনের দ্বিতীয় স্ত্রী। আর সৌমেন আসমার তৃতীয় স্বামী। ৫ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়।

আসমা দ্বিতীয় স্বামী রুবেল হোসেনের শিশুসন্তান রবিনকে নিয়ে কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ায় বাসা ভাড়া নিয়ে সৌমেনের সঙ্গে বসবাস করতেন। ২ বছর আগে সৌমেন কুষ্টিয়া থেকে খুলনায় বদলি হন।

এরই মধ্যে আসমার সঙ্গে বিকাশকর্মী শাকিলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জেনে বেশ কয়েকবার শাকিল থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েও কাজ হয়নি।

নিহত আসমার মা জানান, সৌমেনের সঙ্গে আসমার সম্পর্ক ভালো ছিল না। সৌমেন আসমার ওপর নির্যাতন চালাত। তাই আমার কাছে থাকত।

সকালে খুলনায় যাওয়ার জন্য সৌমেনের সঙ্গে আসমা ছেলেসহ বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু কী কারণে আমার মেয়ে ও নাতিকে গুলি করে হত্যা করল, তা বলতে পারব না।

তিনি বলেন, শাকিল নামের কাউকে আমি চিনি না। তবে আসমা মোবাইল ফোনে প্রায়ই একজনের সঙ্গে কথা বলত।

আসমার ভাই হাসান জানান, আমার বোনের আগে আরও দুটি বিয়ে হয়েছিল। প্রথম স্বামীর নাম সুজন। তাদের ঘরে ৯ বছরের সুমি নামে একটি মেয়ে আছে। সে তার বাবার কাছে থাকে। দ্বিতীয় স্বামী রুবেল। তাদের সন্তান রবিন।

৫ বছর আগে সৌমেনের সঙ্গে আসমার বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকে আসমার ওপর নির্যাতন চলে আসছে। এএসআই সৌমেনের গ্রামের বাড়ি মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার কসবা গ্রামে। সেখানে তার প্রথম স্ত্রী ও পরিবার রয়েছে।

কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের সূত্রটি জানিয়েছে, ওয়ারেন্ট জারির কথা বলে সৌমেন খুলনার ফুলতলা থানা থেকে সরকারি অস্ত্র ও গুলি নিয়ে এসেছিলেন। স্পর্শকাতর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। ইতোমধ্যে খুলনার ফুলতলা থানায় সৌমেনের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

জানা যায়, ২০০৪ সালে পুলিশে কনস্টেবল পদে চাকরি পান সৌমেন। ২০১৭ সালে কুষ্টিয়ায় সৌমেনের পোস্টিং হয়। এরপর তিনি উপ-সহকারী পরিদর্শক

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ

পুরাতন সংবাদ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।     Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.  
Theme Customized By BreakingNews