নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল নগরীর ২৯ নং ওয়ার্ডের বাঘিয়া এলাকার সরদার বাড়ির পুল সংলগ্ন মোঃ হালিম হাওলাদের ক্রয়কৃত জমিতে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় ভূমিদস্যু আবুল হোসেন গংদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত প্রায় ২০ বছর আগে উক্ত এলাকায় নূর হোসেন মাস্টার এর কাছ থেকে ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করে হালিম হাং। যাহার বিএসদাগ নং ২৭৪, মৌজা বাঘিয়া, খতিয়ান নং ৭০৩,জেল নং ৩২। উক্ত জমিতে একটি ছোট টিনের ঘর ছিল যেখানে ভুক্তভোগী হালিম হাং এর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ছিল এবং যা দেখভাল করত নাঈম সর্দার নামে একজন কেয়ারটেকার। অভিযুক্ত আবুল হোসেন গং ০৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ২ টার দিকে তার দলবল নিয়ে ভুক্তভোগীর জমিতে থাকা টিনের ঘরটি ভেঙে ফেলে ভিতরে থাকা মালজিনিস এবং ঘরের বেড়া চাল লুটপাট করে মিনি ট্রাকে করে নিয়ে যায়। সাথে কেয়ারটেকার নাঈমকে মারধর করে হাত পা বেঁধে নিয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে ট্রিপল নাইনে ফোন দিলে এয়ারপোর্ট থানার এসআই আখতারুজ্জামানের সহযোগিতায় আবুল সিকদারের বাড়ি হইতে নাইম সরদারকে উদ্ধার করা হয়। পরে ভুক্তভোগী পরিবার এয়ারপোর্ট থানায় মামলা করলে নাসির ও আনিস নামে দুই আসামি গ্রেফতার হয়। মামলা নং ২৬৫/২১, মামলার অন্য আসামিরা আবুল হোসেন সিকদার, আনোয়ার সিকদার, রবিউল শিকদার, রিয়াজ শিকদার,মোসা জোসনা বেগম , সোহেল মল্লিক, সায়েম শিকদার। উক্ত জমির পূর্বের মালিক নূর হোসেন শস্যাসায়ী হওয়ায় তার একমাএ ছেলে মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জমিজমা দেখভাল করেন।তিনি বলেন অভিযুক্ত আবুল সিকদার দাদার ওয়ারিস এর দাবি করে আমার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, এখন হালিম হাওলাদারের পরিবারকে বিরক্ত করছে ও তার ক্রয় কৃত সম্পত্তিতে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী হালিম হাং ও তার স্ত্রী বলেন, আমরা টাকা দিয়ে জমি কিনেছি আমাদের কাগজপত্র সব ঠিক আছে, এখানে হালিম মঞ্জিল নামে আমাদের একটি টিনশেড বিল্ডিং রয়েছে,এবং আমরা ২০ বছর যাবৎ জমির দখলে আছি। অভিযুক্তরা আমাদের বাড়িতে হামলা করে যে ক্ষতি করেছে আমরা তার বিচার চাই। এ বিষয়ে এসআই আখতারুজ্জামান এর কাছে ফোন করলে তাকে পাওয়া যায়নি।
প্রকাশক ও সম্পাদক : ফয়সাল হাওলাদার।
Copyright © 2026 মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস ।। Mehendiganj Times. All rights reserved.