1. mdshuvo11167@gmail.com : admin :
  2. faysal.rakib2020@gmail.com : Rakibul Hasan : Rakibul Hasan
  3. faisalhowlader1988@gmail.com : Faisal Howlader : Faisal Howlader
আসছে ৪০ লাখ ডোজ - মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস ।। Mehendiganj Times
বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন

আসছে ৪০ লাখ ডোজ

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩২০ ০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে রাশিয়ান টিকা ‘স্পুটনিক ভি’ জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। আগামী মে মাসের মধ্যেই এই টিকার ৪০ লাখ ডোজ বাংলাদেশে আসবে। সরকারিভাবে (জিটুজি) ভিত্তিতে আমদানি করা হবে। এই টিকা ২ থেকে ৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যাবে। এটি ৯১ শতাংশ কার্যকর। বর্তমানে ৬০টি দেশের জনগণের ওপর এ টিকা প্রয়োগ করা হচ্ছে। দেশগুলোর কর্তৃপক্ষ ওষুধটির ‘ইমার্জেন্সি ইউজ অথরাইজেশন (ইইউএ)’ প্রদান করেছে। এই তথ্য জানিয়েছেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।

সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান উপায় দেশের বেশির ভাগ মানুষেক টিকার আওতায় আনা। কিন্তু আমাদের দেশে টিকাদান শুরু হলেও চুক্তি অনুযায়ী ভারতীয় কোম্পানি সরবরাহ না করায় তা ক্রমেই কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এ অবস্থায় জরুরি ব্যবহারের জন্য রাশিয়ার টিকার অনুমোদন প্রশংসাযোগ্য।

জনস্বাস্থ্যবিদ লেলিন চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, এই মুহূর্তে টিকা আমাদের জন্য জরুরি। যেহেতু চুক্তিভিত্তিক টিকা আমরা পাচ্ছি না, তাই বিকল্প উৎস থেকে আনার কোনো বিকল্প নেই। তাছাড়া চীনের টিকা এবং রাশিয়ার টিকা তাদের দেশের কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত। তাই জরুরি প্রয়োজনে এই টিকা আমরা ব্যবহার করতেই পারি। এসব বিবেচনায় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর রাশিয়ার টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে এটা অবশ্যই প্রশংসাযোগ্য উদ্যোগ।

মঙ্গলবার দুপুরে টিকা বিষয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের টেকনিক্যাল কমিটি বৈঠক করে। এতে রাশিয়ার এই টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, মে মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ রাশিয়ার টিকা পাবে। প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশে ৪০ লাখ ডোজ টিকা আসবে। এগুলো সবই সরকারিভাবে (জিটুজি) ভিত্তিতে দেশে আনা হবে। সরকার আলোচনা করে এর দাম নির্ধারণ করবে।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের টেকনিক্যাল কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্তের আলোকে প্রণীত কার্যপত্রে বলা হয়েছে, ‘স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট স্মারকে গঠিত কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সির ক্ষেত্রে ওষুধ, ইনভেস্টিগেশনাল ড্রাগ, টিকা এবং মেডিকেল ডিভাইস মূল্যায়নের জন্য গঠিত কমিটির একটি অনলাইন সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জয়েন্ট স্টক কোম্পানি জিইএনইআরআইইউএম (জেএসসি- জিইএনইআরআইইউএম) রাশিয়া কর্তৃক উৎপাদিত স্পুটনিক-ভি ইমার্জেন্সি ইউস অথরাইজেশন (ইইউএ) প্রদানের সুপারিশ করা হয়।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জনস্বাস্থ্য-২ অধিশাখা জয়েন্ট স্টক কোম্পানি জিইএনইআরআইইউএম (জেএসসি- জিইএনইআরআইইউএম) রাশিয়া কর্তৃক উৎপাদিত স্পুটনিক-ভি (জিএএম-কোভিড-ভ্যাক)-এর অনুকূলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক ইমার্জেন্সি ইউস অথরাইজেশন (ইইউএ) প্রদানের জন্য আবেদন করেছে। দাখিলকৃত ডকুমেন্টস ও ক্লিনিক্যাল রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, আবেদিত টিকার দুটি ডোজে দুটি ভেক্টর রয়েছে। কম্পোনেন্ট ১ : সেরোটাইপ ২৬ রিকম্বিনেশন অ্যাডিনোভাইরাস পার্টিকেলস কনটেনিং সার্স-কোভ-২ প্রটিন এস জেনে (১.০+০.৫)* ১০১১ পার্টিকেলস এবং কম্পোনেন্ট ২ : সেরোটাইপ ৫ রিকম্বিনেশন অ্যাডিনোভাইরাস পাটিংকেলস কনটেনিং সার্স-কোভ-২ প্রটিন এস জেনে (১.০+০.৫)*১০১১ পার্টিক্যালস। প্রতি ৩ দশমিক শূন্য এমএল ভায়ালে ৫ ডোজ টিকা থাকবে। টিকার দুই ডোজ ফরম রয়েছে : সলিউশন ফর ইন্ট্রাম্যাসকুলার ইনজেকশন (যার স্টোরেজ কন্ডিশন-২০+-২ ডিগ্রি। এছাড়া লাইফিলাইজড পাওয়ার ফর সলিউশন (যার স্টোরেজ কন্ডিশন ২ থেকে ৮ ডিগ্রি)।

সেখানে আরও বলা হয়েছে, টিকাটি বর্তমান পৃথিবীর ৬০টি দেশে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এসব দেশের কর্তৃপক্ষ ওষুধটির ইমার্জেন্সি ইউজ অথরাইজেশন (ইইউএ) প্রদান করেছে। রাশিয়াতে ২০২০ সালের ১১ আগস্ট এবং পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতে ২০২১ সালের ১২ এপ্রিল এই টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়।

টিকার প্রি-ক্লিনিক্যাল স্টাডিতে দেখা গেছে, ৩৮ জন স্বাস্থ্যবান স্বেচ্ছাসেবকের ওপর প্রথম ও দ্বিতীয় ফেজ পরীক্ষা করা হয়। এছাড়া ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ওপর তৃতীয় ফেজ পূর্ণাঙ্গ ট্রায়াল পরিচালনা করা হয়। এছাড়া ভারতে ৩টি সাইটে ১৬শ জনের ওপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পন্ন করা হয়।

ব্রিফিংয়ে মাহবুবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে ইনসেপটা, পপুলার ও হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস টিকা উৎপাদন করে থাকে। এর মধ্যে ইনসেপটা ১৪ ধরনের টিকা উৎপাদন করে থাকে। এসব কোম্পানির মাধ্যমে দেশে রাশিয়ার স্পুটনিক ভি উৎপাদন করা যায় কিনা, সেই সম্ভাব্যতা বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। রাশিয়ার এই টিকা আমদানি কেবল নয়, দেশেই উৎপাদনের বিষয়েও কথা চলছে। এরই মধ্যে ইনসেপটা রাশিয়ার সঙ্গে কথা বলছে। টিকা উৎপাদন করতে পারে এমন আরও ওষুধ কোম্পানি দেশে রয়েছে। আশা করা যায়, দেশেই এই টিকা উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

প্রসঙ্গত, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে ৩০ মিলিয়ন ডোজ টিকা কিনতে বাংলাদেশ চুক্তি করে এবং অগ্রিম প্রায় এক হাজার কোটি টাকা প্রদান করে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে প্রতি মাসে ৫০ লাখ করে জুন মাসের মধ্যে তিন কোটি ডোজ টিকা দেওয়ার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত দেড় কোটি ডোজের বিপরীতে মাত্র ৭০ লাখ ডোজ সরবরাহ করা হয়েছে।

এদিকে দেশে টিকার মজুদ কমে আসায় এবং সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা না কাটায় গত সোমবার থেকে করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমএনসিঅ্যান্ডএইচ শাখার লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জান

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ

পুরাতন সংবাদ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।     Design & Development : It Corner BD.Com 01711073884.  
Theme Customized By BreakingNews