
লিটন বাইজিদঃ বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশ মোতাবেক করোনা প্রতিরোধ ও সংক্রমণ এড়াতে ৫ তারিখ সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বরিশালে করোনা সংক্রমনের ভয়াবহতা বিবেচনা করে জেলা প্রশাসন কর্তৃক সকল প্রকার সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ সহ গণবিজ্ঞপ্তি ও সরেজমিনে জনগণকে মাস্ক পরিধানে উৎসাহ সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকেও করোণা প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক রেলি, মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি পালন করেন। কিন্তু প্রশাসনের এত কর্মসূচির পরেও উদাসীন জনগণ।
সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় নাগরীর লঞ্চঘাট, নতুল্লাবাদ, রুপাতলী সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যাতায়াতরত জনসাধারণগনের মাস্ক ব্যবহারে রয়েছে অনীহা। কয়েকজন পথচারীকে মাস্ক না পরার কারন জিজ্ঞেস করলে বলে, এই গরমে মাস্ক পড়া অনেক কষ্টকর সহ অনেক অজুহাত তুলে ধরেন। নগরীতে বসবাসরত সাধারণমানুষ মাস্ক পরিধান করলেও মফস্বলের মানুষের মধ্যে রয়েছে চরম অনীহা। মফস্বলের মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানতেও নারাজ।
এদিকে নগরীতে চলাচলরত ক্ষুদ্র যানবাহনে যাত্রীদের কাছ থেকে নিচ্ছে দ্বিগুণ ভাড়া, মানছেনা স্বাস্থ্যবিধি । এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেক সাধারণ যাত্রীরা।
স্বাস্থ্যবিধদের মতে, করোনা প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার সাধারণ অভ্যাসে পরিণত করতে হবে এবং সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুদের প্রতি অধিক গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন।
করোণা প্রতিরোধে লকডাউনের আগামী ৬ দিন প্রশাসন আরো কঠোর ভূমিকায় থাকবেন ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবেন বলে জানা যায়।
নগরবিদদের মতে করোণা প্রতিরোধ ও সংক্রমণ এড়াতে আমাদের সবার উচিত সরকারের সকল নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, এবং সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনসচেতনতা গড়ে করোনা মোকাবেলা করা।
Leave a Reply