
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানহানি করে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে পাতারহাট সরকারি আরসি কলেজের উপাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানহানির আরো ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিপূর্বেও আরও একটি মামলা দায়ের করা হলে সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার ৪টি মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর মূখ্য হাকিম আদালতে হিজলা উপজেলার ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ঢাকার রমনা থানা আওতাধীন বাসিন্দা ইকবাল হোসেনের ছেলে মো. নোমান হোসেন এক হাজার কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করেন ।দায়েরকৃত মামলাটি আমলে নিয়ে ঢাকা মহানগর মূখ্য হাকিম আদালতের বিচারক তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছেন।
এছাড়াও বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালতে বরিশাল আদালতের আইনজীবী হিজলা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণল সম্পাদক এ্যাডভোকেট মো. মাইনুদ্দিন ডিপটি ও বরিশাল মেট্রোপলিটন আদালতে বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু এক হজার কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করেছেন ।
বরিশাল আদালতের মামলাটি পরবর্তী আদেশের জন্য বিচারক অপেক্ষমান রাখেন। উভয় মামলার বাদী তাদের আর্জিতে বলেন, মেহেন্দিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত ২৬ জানুয়ারি পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আওলাদ হোসেনের উঠান বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে বক্তব্য দেন পাতারহাট সরকারি আরসি কলেজের উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম। বৈঠকে তিনি বলেন, ‘পঙ্কজ নাথের মনোনয়ন শেখ হাসিনার হাতে না এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাবে কী যাবে না তার সঙ্গে জড়িত। পঙ্কজ নাথকে মনোনয়ন না দিলে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাবে না। মামলার অভিযোগে বাদীদ্বয় জানান, উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম তার বক্তব্যে শেখ হাসিনার ঊর্ধ্বে পঙ্কজ নাথকে স্থান দিয়েছেন। এছাড়া তিনি কোনো ধরনের সম্মান প্রদর্শন না করে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে’ ‘শেখ হাসিনা’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি তার বক্তব্যে বিশ্ব মানবতার নেত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতির সামনে হেয় করেছেন এবং দেশের সম্মানহানি করেছেন। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘এক হাজার কোটি টাকার মানহানি’ হয়েছে বলে দাবী করেন দুই বাদি। উল্লেখ্য, এর আগে ৩১ জানুয়ারি বরিশাল জ্যেষ্ঠ বিচারিক আমলি আদালতে হাজার কোটি টাকার মানহানী মামলা করেন মেহেন্দীগঞ্জের কাজিরহাট থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান মিয়া।
Leave a Reply