
এস এম সাহে আলম কাজির হাট //
বরিশাল জেলার কাজিরহাট থানার ১৫ নং জয়নগর ইউনিয়নের, পূর্ব কাদিরাবাদ ৯ নং ওয়ার্ডের কবির হাওলাদারের কন্যা মরিয়ম পূর্ব কাদিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী,পেশায় তাঁর বাবা একজন, কাঠমিস্ত্রি। মামলার সূত্রে জানা যায়। কবির হাওলাদারের কন্যা মরিয়াম ৭/৭/২০২৫ সকাল ৯ ঘটিকার সময় বিদ্যালয়ের পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে রওনা হন। পরীক্ষা শেষে আনুমানিক বেলা ১:৩০ মিনিটে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পরবর্তীতে মরিয়াম বাড়িতে ফিরে না যাওয়ায়। তাহার বাবা কবির হাওলাদার বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে। সকল স্থানে খোঁজাখুজি করে।কবির হাওলাদার তার মেয়ে মরিয়ম কে না পেয়ে, মরিয়ম এর বাবা কবির হাওলাদার বাদি হয়ে ৮/৭/২০২৫ তারিখ কাজিরহাট৷ থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করেন যাহার নং ২৯০,পরবর্তীতে কাজিরহাট থানা পুলিশ ও মরিয়মের বাবা তার আত্মীয়-স্বজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরে। ২৫/৭/২০২৫তারিখ আনুমানিক বিকেল পাঁচটার দিকে একই এলাকার মিলন খান ফোন দিয়ে মরিয়মের বাবা কবির হাওলাদার কে জানান একই এলাকার মিরাজ বেপারীর পরিত্যক্ত টিনের ঘরের পাশে ডোবায় একটি লাশের অংশ ভেসে ওঠে। তখন ওই সংবাদ পেয়ে, মরিয়মের বাবা তার স্ত্রী মেয়েদেরকে নিয়ে লাশের কাছে যান। এবং লাশের অর্ধ গলিত অংশ দেখতে পেরে। দ্রুত কাজিরহাট হাট থানা পুলিশকে অবগত করেন। ঘটনা স্থলে গিয়ে কাজিরহাট থানা পুলিশ, লাশের একটি পায়ের তিন ভাগের দুই ভাগ এবং বুক ও পেটের অংশ বিশেষ ডোবার পানির ভিতর হইতে উদ্ধার করিলে, উক্ত লাশের সঙ্গে থাকা সবুজ স্কুল ড্রেস এবং কালো রঙ্গের কোমর বন্ধনী এবং স্কুল ব্যাগ দেখে। মরিয়মের বাবা মেয়ের লাশ সনাক্ত করে কিন্তু আমার ধারনা অজ্ঞাতনামা । অজ্ঞাতনামা আসামি পরস্পর যোগসাজে ইংরেজি ৭/৭/২০২৫তারিখ দুপুর অনুমান ১:৩০ ঘটিকা হইতে ইংরেজি ২৫/তারিখ বিকাল অনুমান পাঁচটা ৫৫ মিনিটে ঘটিকার মধ্যেও আমার মেয়ে মরিয়মকে হত্যা করিয়া , তাহার লাশ কাজিরহাট থানা জয়নগর ইউনিয়নের, কাদিরাবাদ ৯ নং ওয়ার্ডের মিরাজ বেপারীর পরিত্যক্ত টিনের ঘরের, ডোবার ভিতর গুম করিয়া রাখে। কাজিরহাট থানা পুলিশ,মরিয়মের লাশের বিশেষ অংশ উদ্ধার করে। ময়না তদন্তের জন্য পাঠান এবং মরিয়মের বাবা কবির হাওলাদার। বাদী হয়ে কাজিরহাট থানায় একটি
অজ্ঞাতনামা মামলা করেন। মামলা নং ১৪/তারিখ ২৫/৭/২০২৫।
Leave a Reply