হিজলায় জেলেদের ভিজিএফ চাল বিতরনে অনিয়ম,নেওয়া হচ্ছে অর্থ।
-
আপডেট সময় :
বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২
-
১৯৩
০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক//
দেশে ইলিশ সম্পদ উৎপাদনের লক্ষ্যে জাটকা সংরক্ষণে সরকার কর্তৃক পহেলা মার্চ থেকে ৩০,এপ্রিল পর্যন্ত অভয়াশ্রম গুলোতে সকল প্রকার মাছ ধরা নিষিদ্ধ, তাই নিষিদ্ধ এলাকায় কর্মহীন জেলেদের সহায়তায় সরকার বিজিএফ এ-র মাধ্যমে প্রতিটি জেলেদের দুই মাসে ৮০,কেজি করে চাল বরাদ্দ করে থাকেন। সেই চাল বিতরনে হিজলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যাচ্ছে ব্যাপক অনিয়ম ও নগদ অর্থ নেওয়ার অভিযোগ। প্রতিটি জেলে থেকে ১০০,থেকে ২০০,টাকা কোন কোন জায়গায় তারও অধিক অর্থ নেওয়া হচ্ছে। এব্যাপারে উপজেলার ধুলখোলা ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা জসিম উদ্দিন সাহেবের কাছে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন যে টাকাটা নেওয়া হচ্ছে এটা হোল্ডিং ট্যাক্স এর টাকা। এব্যাপারে হিজলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় বকুল চন্দ্র কবিরাজকে অবহিত করা হলে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমার জানা নেই। পরে বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান খান কে মুঠোফোনে অভিযোগ করা হলে তিনি বলেন জেলেদের বরাদ্দকৃত চাল বিতরনে কোন টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই বিধান ও নেই, যদি এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কারো বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া যায় জেলেদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে তাহলে ব্যাপারটি সংশ্লিষ্ট নিবার্হী কর্মকর্তা প্রয়োজনের ডিসিকে অবহিত করুন। এর প্রেক্ষিতে বরিশাল জেলা প্রশাসক মহোদয় জসীম উদ্দিন হায়দার কে অবহিত করা হলে তিনি বলেন আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছি এ ধরনের অনিয়ম খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। সরেজমিনে ঘুরে বিভিন্ন এলাকায় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ প্রেক্ষিতে বিল্লাল হাওলাদার,নামুল,ইমরান,মোশারফসহ আরো অনেকেই বলেন তাদের কাছ থেকেও চৌকিদারের ট্যাক্স এর কথা বলে ২০০-২৫০, টাকা করে নিয়েছে। হিজলা গৌরবদী ইউনিয়নের অনেকেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন আমাদের কাছ থেকে ২৫০, টাকা করে নেওয়া হয়েছে, তাছাড়াও অসংখ্য প্রমাণ রয়েছে টাকা নেওয়ার। উল্লখ্য, হিজলা উপজেলা ছয়টি ইউনিয়নে জেলে কার্ডের সংখ্যা প্রায় ১২৯২৬,টি চাল বরাদ্দ হয়েছে ১০৩৪, মেট্রিক টন। যদিও প্রকৃত জেলেদের সংখ্যা আরো অনেক বেশি।
Like this:
Like Loading...
নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
Leave a Reply