সিন্ডিকেট চক্রের কাছে জিম্মি হিজলার অভয়াশ্রম//
-
আপডেট সময় :
রবিবার, ৬ মার্চ, ২০২২
-
২১৯
০ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।
হিজলা নদীগুলোতে দিনের বেলায় প্রশাসনের কঠোর অভিযান, রাতের বেলায় অসাধু জেলেদের জাটকা নিধনের রণকৌশল,তখন নীরব ভূমিকায় থাকে প্রশাসন। সর্ষের ভিতর ভূত না তাড়ানো পর্যন্ত কোনো ভাবেই সফল হবে না জাটকা নিধন অভিযান, যেটা আমরা পুর্বেও দেখেছি বর্তমানে ও উপলব্ধি করছি মত সচেতন মহলের।
বর্তমান ও পূর্বের কিছু চক্রের সদস্যদের সাথে আলাপ চারিতায় জানা যায় কিছু ভয়ঙ্কর তথ্য, তারা বলেন যতক্ষণ না পর্যন্ত অভিযানিক টিমের মাঝি-মাল্লাদের সিন্ডিকেট চক্র ভাঙ্গা যাবে ততক্ষণ অভিযান সফল করা হবে কষ্ট কর। এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে সকল অভিযানিক টিমের মাঝিমাল্লা ও প্রশাসন ব্যতীত অন্য স্টাফদের মুঠোফোন ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, যাতে প্রশাসনের গতিবিধি মুহূর্তের ভিতর অসাধু জেলেদের কাছে বার্তা পৌঁছাতে না পারে। পাশাপাশি বাড়াতে হবে মাঝি-মাল্লাদের উপর নজরদারি। প্রশাসনিক ট্রলার নদীতে কোন কোন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করবে, জানানো যাবে না কোন স্টাফদের। অভিযান পরিচালনায় মাঝি-মাল্লাদের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হাতে। তাহলেই কেবল সম্ভব জাটকা নিধন ও অন্যান্য নিষেধাজ্ঞায় অভিযান সফল করা।
অনেক সময় মাঝি-মাল্লাদের ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্যের উপরে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় প্রশাসনকে। এর আগে বহুবার দেখেছি রাতে প্রশাসনের উপরে জেলেদের হামলা এটাও সংশ্লিষ্ট মাঝী মাল্লাদের ইন্দনেরই অংশ, যাতে প্রশাসনের ভিতরে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া যায়।
এ ব্যাপারে সরেজমিনে মেঘনার পাড় ও কয়েকটি মাছের আড়দে একাধিক জেলেদের সাথে আলাপচারিতায় তারা বলেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞার ভিতরে আমরা মাছ শিকার করতে না চাইলেও কিছু মৎস্য ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠা অসাধু মাঝি মাল্লারা আমাদের ইন্ধন যোগায়,মাছ শিকারে। বিনিময়ে আমাদের দিতে হয় রাত প্রতি নৌকায় এক থেকে দুই হাজার টাকা। তাছাড়া দীর্ঘ দুই মাস মাছ শিকারে বিরত থাকলে সংসার চালাতে কষ্ট কর হয়ে যায়,তাই বাধ্য হয়েই পেটের দায়ে সরকারি আইন অমান্য করে আমরা নদীতে যাই। তাছাড়া সরকারি তরফ থেকে বরাদ্দরকৃত বিভিন্ন সহযোগিতা সুষম বন্টনের অভাবে,অনেক সময় প্রকৃত জেলেদের ভিতর বিতরণ হয় না। যারা জীবনে মাছ শিকার করেনি,তাদেরকে ও অনেক সময় দেয়া হয় বরাদ্দকৃত বিভিন্ন দান-অনুদান, এ ব্যাপারে প্রশাসনের তদারকি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সদইচ্ছাকে দায়ী করে আক্ষেপ প্রকাশ করে।
এ ব্যাপারে নৌ পুলিশ ও মৎস্য কর্মকর্তার সাথে কথা হলে তারা বলেন,সরকারি আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যারা নদীতে জাল ফেলেবে,তাদের বিরুদ্ধে থাকবে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি, এ ব্যাপারে ন্যূনতম ছার দেওয়ার কোন সুযোগ নেই।
Like this:
Like Loading...
নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
Leave a Reply