বিশেষ প্রতিনিধি ।। নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয় মনোনয়ন ও প্রার্থী বাছাই এর মাধ্যমে, কিন্তু যদি দেখা যায় নির্বাচনে নিজের দল ও প্রতিক নৌকাকে হারানোর জন্য মন্ত্রযজ্ঞ পাঠ করছেন নিজের দলেরই কথিত নেতারা, তখন পরিনত হয় ঘরের ইঁদুরে বান কাটার মতো অবস্থা।
ঠিক এমনটাই ঘটছে, বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। উলানিয়া নির্বাচনের শুরু থেকেই চলে আসছে একের পর এক রুপ ও রহস্য।থেমে নেই চাটুকারিতাদের চমক।
মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার দিন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও কথিত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নামে পরিচিত খোরশেদ আলম ভুলু ও তারই ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান শাকিল ও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কথিত শ্রমিকলীগের সভাপতি মনির জমাদ্দার সহ তাদের হামলাকারী বাহিনী নৌকার মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নেতাকর্মীদের শারিরীকভাবে লাঞ্চিত ও হেয় প্রতিপন্ন করেন এবং হুমকি প্রদান করে।
এতে উপস্থিত সিনিয়র নেতাকর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনলেও পরবর্তীতে হামলা সামাল দেওয়া সম্ভব হলো না নৌকার প্রার্থীর ।
উলানিয়া দক্ষিনের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী রুমা সরদারের ছেলে তারেক সরদার ও মোশারেফ সরদার এর নের্তৃত্বে নৌকা প্রার্থীরবাসায় অতর্কিত হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙ্গচুর করে এবং ৮ থেকে ১০ জন কে আহত করে। আহত ব্যাক্তিরা হলেন, আমীর হোসেন, মন্নান খাঁ, জাকির হোসেন রাড়ী, সবুজ দেওয়ান, রাজিব মাঝি, সিপন জমাদ্দার, মালেক রাড়ী, হুমায়ুন খাঁন, হাবীব মীর, শহিদুল।
এবং এক পর্যায়ে মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যেয়ে হামলায় বাধা না দিয়ে উল্টো পুলিশ এস এই ইন্দ্রজিৎ ও এস আই শহিদ নিজে মোটরসাইকেল পুড়িয়ে ফেলে পরবর্তীতে থানা পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৫০০ জনের নামে মামলা দায়ের করেন। এবং তারেক সরদার ও মোশারেফ সরদার এর নের্তৃত্বে পস্তর নিয়ে লালগঞ্জ বাজারে প্রায় ১০ থেকে ১২ টি দোকানদারকে মারধর করে দোকান বন্ধ করে রাখে এবং নিজেদের আওতায় নিয়ে যায়।
সর্বশেষ তথ্যমতে নির্বাচনকে ঘিরে উলনিয়া উপজেলায় পরিস্থিতি থমথমে বিরাজ করছে।