নিজস্ব প্রতিবেদকঃ করোনা মহামারীর ধকল কাটিয়ে ছন্দে ফিরেছে বরিশালের কাপড় ও টেইলার্স ব্যবসায়ীরা। লকডাউন উঠে যাওয়ায় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলায় টেইলার্স ব্যবসায়ীদের কাজের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নগরীর কার্টপট্রি রোড, ফজলুল হক এভিনিউ, বগুরা রোড, হাসপাতাল রোড, বটতলা, সাগরদী,রুপাতলী,চৌমাথা,কাউনিয়া,
কলেজ রোড সহ বিভিন্ন এলাকার ক্লোথ স্টোর ও টেইলারিং দোকান গুলোতে উপচে পরা ভির। বিশেষ করে লেডিস টেইলার্সে ব্যস্ত সময় পার করছেন কাটিং মাস্টার ও সেলাই ম্যানরা। বলা চলে দিনরাতই চাকা ঘুরছে এসব দোকান গুলিতে।
কার্টপর্টি রোডের স্মৃতি টেইলার্সের কাটিং মাষ্টার সোহাগ জানান,সরকার লকডাউন উঠিয়ে নেওয়া এবং স্কুল কলেজ খোলাতে কাজের চাপ কয়েক গুন বেড়েছে। বলতে গেলে আমরা পুরানো রুপে ফিরে যাচ্ছি। এভাবে চলতে থাকলে ক্ষতি পুষিয়ে উঠা সম্ভব হবে।
একই এলাকার কাপর ব্যবসায়ীরা বলেন,আমরা দোকান পাট খোলার সাথে সাথেই বেচে বিক্রি বেড়ে যায়,তার পর এখন তো স্কুল কলেজ খুলছে এ কারনে বিদ্যালয়ের ড্রেসের কাপড় কিনতে অভিভাবকরা ভিড় করছেন। এতে করে কাপড় ব্যবসায়ীরাও বেচা বিক্রিতে ব্যস্ত হয়ে পরেছেন।
দর্জি দোকানে ড্রেস অর্ডার দিতে আসা ক্রেতারা জানান,স্কুল কলেজ খুলছে তাও ১ সপ্তাহ। ভাবছিলাম রেখে দেওয়া ড্রেস গুলো দিয়েই ক্লাস করবে ছেলে মেয়েরা। কিন্তু রেখে দেওয়া ইউনিফর্ম গুলো ছোট এবং টাইট হওয়ার কারনে তা ব্যবহার করতে চান না। তাই নতুন করে সবকিছু বানাতে হচ্ছে।
করোনাকালীন সময়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ সকল টেইলারস ব্যবসায়ী ও টেইলার্স কারিগররা বর্তমানে আশার আলো দেখলেও পিছনের ধকল কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে বলে জানান। তাই তারা তাদের ব্যবসা বাণিজ্য নতুন উদ্যমে চালু করতে আর্থিক প্রণোদনার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক : ফয়সাল হাওলাদার।
Copyright © 2026 মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস ।। Mehendiganj Times. All rights reserved.