প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১৯, ২০২৬, ১২:৪৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১, ২:৩২ এ.এম
চরকাউয়া খেয়াঘাট এ মানুষ এর দুর্ভোগ এর কোন শেষ নাই,,

বরিশাল নগরীর কাছে কীর্তনখোলা চরকাউয়া খেয়াঘাটে দাঁড়ালে দেখা যায় প্রতি মিনিটে যাত্রীবোঝাই ইঞ্জিনচালিত ট্রলার নদী পাড়ি দিচ্ছে।
একদল আসছে নগরীর দিকে, অপর দল নগরী ত্যাগ করে যাচ্ছে সদর উপজেলার চরকাউয়ায়।
খেয়ার মাঝিমাল্লা ও বিআইডব্লিউটিএ জানিয়েছে, দৈনিক অর্ধলাখ মানুষ কীর্তনখোলা পাড়ি দিয়ে নগরীতে আসা-যাওয়া করেন। কিন্তু বিপুল পরিমাণ যাত্রীর জন্য নাগরিক সুবিধার ছোঁয়া নেই এই ঘাটে। নদী ভাঙনে ঘাটের অবস্থা বেহাল।
কিন্তু ৯ বছর আগে তৎকালীন মেয়র এই ঘাট ইজারামুক্ত করার পর বিআইডব্লিউটিএ’র কোনো দায়দায়িত্ব না নেওয়ায় স্থানীয় একটি মহল কৌশলে চালাচ্ছে খেয়াঘাটে দখলবাজি।
সরেজমিনে গতকাল বুধবার চরকাউয়া খেয়াঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, ভাটার সময় নগরীর প্রান্তের ঘাট থেকে পানি প্রায় ৮ ফুট নেমে যাওয়ার পরও গোড়ালি ডুবিয়ে যাত্রীদের ট্রলারে ওঠানামা করতে হচ্ছে। এছাড়া জোয়ার এ পানি বেড়ে গেলে ট্রালার যাএি দের উঠতে নামতে কষ্ট হয়,,
ঘাটের এ প্রান্তে বিআইডব্লিউটিএ’র জমি দখল করে স্থাপন করা হয়েছে ভ্রাম্যমাণ দোকানপাট। যেকারণে এখানে সব সময়ই জট লেগেই থাকে।
অপরদিকে, চরকাউয়া প্রান্তে নদী ভাঙনের মুখে পড়ায় যাত্রীদের ট্রলারে উঠতে বেগ পেতে হয়। ভরা বর্ষায় খেয়া পারাপারে সবচেয়ে শংকার বিষয় বেপরোয়া ট্রলার চালানো।
গতকাল সোমবার বেলা ১২টায় ঘাটে দাঁড়িয়ে দেখা গেছে, প্রতি মুহূর্তে ট্রলার আসছে আর যাচ্ছে। ট্রলারগুলো ঘাটে ভেড়ানোর সময় একটি আর একটির ওপর বেপরোয়া গতিতে আছড়ে পড়ছে।
এতে আতঙ্কিত যাত্রীরা। কথা হয় সজল মোল্লা নামে চরকাউয়য়ার এক বাসিন্দার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘যুগ যুগ ধরে তারা দুর্ভোগ সহ্য করেই এ খেয়াঘাট থেকে যাতায়াত করেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক : ফয়সাল হাওলাদার।
Copyright © 2026 মেহেন্দিগঞ্জ টাইমস ।। Mehendiganj Times. All rights reserved.